‘মেয়ে অন্ধকারে ভয় পেত’, যাদবপুরের ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি, লালবাজারে গেলেন মৃতার বাবা!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী অনামিকা মণ্ডলের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। পরিবারের দাবি, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত খুন। এই সন্দেহের জেরে সোমবার লালবাজারে গিয়ে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন মৃত ছাত্রীর বাবা। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে পুরো ঘটনাটি জানান।
অনামিকার বাবা আগেই এবিপি আনন্দকে জানিয়েছিলেন যে তার মেয়ে অন্ধকারে এবং পোকামাকড়ে ভয় পেত। তাই তার পক্ষে একা ওভাবে অন্ধকারে পুকুরের কাছে যাওয়া সম্ভব নয়। তার আশঙ্কা, কেউ তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে। পুলিশও এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তারা খতিয়ে দেখছে অনামিকা কি জলে ডুবেছিল নাকি কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল।
এদিকে, পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে জোরকদমে নেমেছে। তারা ইতিমধ্যেই অনামিকার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজও হাতে পেয়েছে। মৃতার বাবার অনুরোধে, পুলিশ অনামিকার কল ডিটেইলস এবং কাদের সঙ্গে কথা বলতেন, সে সব তথ্যও খতিয়ে দেখছে।
অনামিকার মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ সোমবার তার তিনজন বন্ধুকে যাদবপুর থানায় তলব করেছে। ঘটনার রাতে তারা অনামিকার সঙ্গে ছিল। পুলিশ তাদের কাছে জানতে চাইবে, অনামিকাকে শেষ কখন এবং কোথায় দেখা গিয়েছিল। ঘটনাস্থলে অন্য কাউকে দেখা গিয়েছিল কিনা এবং অনামিকার কোনো মানসিক অবসাদ ছিল কিনা, সে বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।