মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে মারধর, তারপরই কুদ্দুস পাড়া ও মাদ্রাসা পাড়ার সংঘর্ষ! আহত বেশ কয়েকজন

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর সংলগ্ন এলাকা দুই পাড়ার সংঘর্ষের জেরে থমথমে হয়ে রয়েছে। মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বচসা মুহূর্তের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশবাহিনী।
কেন ঘটল এই সংঘর্ষ?
ঘটনার সূত্রপাত মহেশতলা পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আলমপুর মাদ্রাসা পাড়া এবং কুদ্দুস পাড়ার মধ্যে।
সূত্রের খবর, এক পাড়ার একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই দুই পাড়ার মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। সেই উত্তেজনার মধ্যেই অন্য পাড়ার কিছু ব্যক্তি এসে উস্কানি দেয় বলে অভিযোগ। এর জেরেই প্রথমে শুরু হয় বচসা, যা কিছুক্ষণের মধ্যেই ইটবৃষ্টি এবং সংঘর্ষে পরিণত হয়।
এই সংঘর্ষে দুই পাড়ার প্রায় ৫০-৬০ জন জড়িয়ে পড়ে এবং ইটবৃষ্টির জেরে বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হন।
এলাকায় থমথমে পরিবেশ, টহল দিচ্ছে পুলিশ
সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সার্ভে পার্ক থানা এবং সংলগ্ন এলাকার বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে।
আটক: সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রাথমিকভাবে আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তদন্ত: কীভাবে দ্রুত এত লোক জড়ো হলো এবং কে বা কারা এই ঘটনায় উস্কানি দিয়েছে, সেই দিকগুলি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আহতদের চিকিৎসা: ইটবৃষ্টির ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে রবীন্দ্রনগর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশাল পুলিশ বাহিনী টহল দিচ্ছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।