“মদনদার গ্ল্যামারের সামনে কেউ পাত্তা পাব না!”-দেবের ‘দাদাগিরি’-তে বিধায়কদের কাড়াকাড়ি

রাজনৈতিক ময়দানের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতারা এবার এক মঞ্চে। দেবের সঞ্চালনায় জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দাদাগিরি’-র পরবর্তী পর্বে প্রতিযোগী হিসেবে হাজির হচ্ছেন ছাব্বিশের বিধানসভার ছয় জয়ী বিধায়ক। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই স্পেশ্যাল এপিসোডের প্রোমো ঝড় তুলেছে। কুণাল ঘোষ, কৌস্তভ বাগচী, নওশাদ সিদ্দিকি, মদন মিত্র, সজল ঘোষ ও মোস্তাফিজুর রহমানকে চেনা রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে এক অন্য মেজাজে দেখতে মুখিয়ে রয়েছেন দর্শকরা। সাধারণ জ্ঞান ও বুদ্ধির লড়াইয়ের পাশাপাশি তাঁদের ব্যক্তিগত রসবোধ ও মজার খুনসুটিই এই পর্বের মূল আকর্ষণ।

সামনে আসা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, দেবের সামনে দাঁড়িয়ে মজার ছলে একে অপরকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি রাজনৈতিক হেভিওয়েটরা। লাল পাঞ্জাবি ও সাদা ধুতিতে চিরচেনা স্টাইলিশ অবতারে হাজির হন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তাঁর গ্ল্যামার দেখে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি অভিযোগের সুরে বলেন, মদনদার মতো গ্ল্যামারাস মানুষের সঙ্গে তাঁকে আনা হয়েছে, সবাই তো তাঁকেই দেখবে। এরপর আসরে নেমে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ মজার ছলে বলেন, মদনদাকে দাঁড় করিয়ে রেখে শুধু ভাইজান করলে চলবে না, তাঁর ‘লাভলি’ স্টাইলও দারুণ। কুণাল ঘোষ আবার হাত জোড় করে মজার সুরে জানান, তাঁরা প্রার্থনা করেন মদনদার বয়সে পৌঁছেও যেন তাঁরা ঠিক এমনটাই থাকতে পারেন।

সহকর্মীদের মুখে নিজের প্রশংসা শুনে মোহিত হয়ে যান মদন মিত্র। দেব যখন বলেন সবাই বয়সকে ধোকা দিচ্ছে, তখন মোক্ষম ছক্কা হাঁকান কামারহাটির বিধায়ক। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “ওরা এটা বুঝতে পারছে না, বয়সকে ধোকা দিলেও এখানে ও দাদা, আমিও দাদা, আমি কাকা নই!” মদনদার এই কৌতুকপূর্ণ মন্তব্যে হেসে গড়াগড়ি খান সঞ্চালক দেবও।

তৃণমূল, বিজেপি, আইএসএফ এবং বাম শিবিরের ভিন্ন মতাদর্শের নেতারা রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে একসঙ্গে ট্রফি জয়ের লড়াইতে নামছেন। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে তাঁদের এই সুহৃদসুলভ ও মজার মুহূর্তগুলি দর্শকদের সম্পূর্ণ নতুন বিনোদন দেবে। আগামী কাল, রবিবার অর্থাৎ ৩০ আগস্ট রাত সাড়ে ন’টায় জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হবে ‘দাদাগিরি’-র এই প্রতীক্ষিত বিশেষ পর্ব।