রাত পোহালেই বাংলায় প্রথম দফার মহারণ। হাতে সময় নেই বললেই চলে, অথচ এই শেষ মুহূর্তে ভোটার কার্ডটি খুঁজে পাচ্ছেন না? দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আপনার নাম যদি ভোটার তালিকায় থাকে, তবে স্রেফ দুই মিনিটেই মোবাইল থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন আপনার ডিজিটাল ভোটার কার্ড বা e-EPIC।
কিভাবে ডাউনলোড করবেন ই-ভোটার কার্ড? নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে খুব সহজেই কার্ড ডাউনলোড করা সম্ভব। পদ্ধতিটি দেখে নিন:
ধাপ ১: প্রথমে voters.eci.gov.in পোর্টালে গিয়ে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ-ইন করুন। অ্যাকাউন্ট না থাকলে দ্রুত ‘Register’ করে নিন।
ধাপ ২: ড্যাশবোর্ডে থাকা “E-EPIC Download” অপশনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৩: আপনার হাতে থাকা EPIC নম্বর অথবা ফর্ম রেফারেন্স নম্বরটি দিন।
ধাপ ৪: আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইলে একটি ওটিপি (OTP) আসবে। সেটি দিলেই ডাউনলোড হয়ে যাবে আপনার ডিজিটাল ভোটার কার্ড (PDF)।
যদি মোবাইল নম্বর লিঙ্ক না থাকে? যাদের মোবাইল নম্বর ভোটার কার্ডের সাথে যুক্ত নেই, তাদের সামান্য e-KYC প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এক্ষেত্রে ডিভাইসের ক্যামেরার মাধ্যমে একটি ‘লাইভনেস চেক’ বা ফেস ভেরিফিকেশন করা হবে।
ভোটার কার্ড না থাকলেও ভোট দেওয়া যাবে! কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভোটার কার্ড না থাকলেও তালিকায় নাম থাকলে বিকল্প ১২টি পরিচয়পত্রের যেকোনো একটি দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে। সেই তালিকায় রয়েছে:
আধার কার্ড
প্যান কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স
ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ছবিসহ পাসবুক
পাসপোর্ট ও পেনশনের নথি
মনরেগা (MNREGA) জব কার্ড ও সরকারি চাকরির পরিচয়পত্র
ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রথম দফার ভোটগ্রহণে প্রবীণ নাগরিক ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা রেখেছে কমিশন। ভোটকেন্দ্রে থাকবে র্যাম্প, হুইলচেয়ার এবং ব্রেইল-যুক্ত ইভিএম। এছাড়া গরমে ভোটারদের স্বস্তির জন্য পানীয় জল, শৌচাগার ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
তাই কার্ড হারানো নিয়ে দুশ্চিন্তা ছেড়ে ভোটার লিস্টে নাম মিলিয়ে নিন এবং আগামীকাল আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন।





