আজ থেকে লোকসভার তিন দিনের বিশেষ অধিবেশন শুরু হচ্ছে, যেখানে মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হবে। তবে এই অধিবেশনে তৃণমূল কংগ্রেসের উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে বড়সড় ধোঁয়াশা। জানা গিয়েছে, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের দোহাই দিয়ে সব সাংসদকে দিল্লিতে পাঠাচ্ছে না জোড়াফুল শিবির। ৪২ জনের মধ্যে মাত্র ২০ জন সাংসদকে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
তৃণমূলের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ বিরোধী শিবির। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটাভুটির সময় বিরোধীদের অনুপস্থিতি আদতে বিজেপিকেই সুবিধা করে দেবে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ১০০ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। অন্যদিকে, ভোট থাকা সত্ত্বেও নিজের সব সাংসদকে দিল্লি যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিন।
সংসদের ভেতরে লড়াইয়ের পাশাপাশি বাইরেও প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে। আজ সকালে প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন বিলের প্রতিলিপি নিজের হাতে পুড়িয়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন স্ট্যালিন। তামিলনাড়ুর ঘরে ঘরে কালো পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু দক্ষিণ ভারত নয়, ওড়িশার প্রবীণ নেতা নবীন পট্টনায়ক থেকে শুরু করে অরুণাচল ও মধ্যপ্রদেশের বিরোধী নেতারাও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি লিখে এই বিলের বিরোধিতার আর্জি জানিয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, নতুন এই নিয়মে উত্তর ভারতের তুলনায় পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির সংসদীয় ক্ষমতা হ্রাস পাবে।





