করোনা মহামারীর জেরে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হলো ভারতের ১৬তম আদমশুমারি। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ২০২১ সালে এই জনগণনা হওয়ার কথা থাকলেও অতিমারীর কারণে তা পিছিয়ে গিয়েছিল। তবে এবারের সেনসাস ইতিহাসে জায়গা করে নিতে চলেছে তার সম্পূর্ণ ‘ডিজিটাল’ অবতারের জন্য।
ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার খাতা-কলমের বদলে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ৩০ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী এবার আর ভারী রেজিস্টার বইবেন না, বরং বিশেষ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য নথিভুক্ত করবেন। সবথেকে বড় চমক হলো ‘সেলফ এনুমারেশন’ বা নিজে গণনা করার সুযোগ। সরকারের তৈরি বিশেষ পোর্টালে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করে নাগরিকরা নিজেরাই প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে পারবেন।
২০২৭ সালের এই জনগণনায় জাতি ও উপজাতি সংক্রান্ত তথ্য বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং কোনো পরিবার যাতে বাদ না পড়ে, তার জন্য ‘হাউসলিস্টিং ব্লক ক্রিয়েটর’ (HLBC) সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি স্যাটেলাইট ইমেজের সাহায্যে জিও-ফেন্সিং তৈরি করে নিখুঁত গণনা নিশ্চিত করবে। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার এই ছোঁয়ায় জনগণনার তথ্য প্রসেসিং এখন হবে আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ও নির্ভুল।





