ঘরের মেয়েকে ঘরের মাঠেই বাধা? নির্বাচনের তপ্ত আবহে এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নাটকীয় পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল ভবানীপুর। নিজের পাড়াতেই সভার অনুমতি দিল না পুলিশ ও প্রশাসন, কিন্তু দমে যাওয়ার পাত্রী নন তিনি। মেজাজি ভঙ্গিতেই মমতা জানিয়ে দিলেন, “আমি আজ যাবই, চা খাব বসে!” আর যেমন কথা তেমন কাজ।
ঠিক কী ঘটেছিল?
মঙ্গলবার বিকেলে ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার একটি নির্দিষ্ট জায়গায় নির্বাচনী সভার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রীর। কিন্তু নিরাপত্তা এবং নিয়মবিধির কারণ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র (সাবেক) এবং বসতভিটের এলাকায় এমন বাধায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়।
চায়ের দোকানে ‘দিদি’
সভা করতে না পারলেও দমানো যায়নি তৃণমূল সুপ্রিমোকে। সভার অনুমতি না মেলায় তিনি সোজা পৌঁছে যান ভবানীপুরের একটি পরিচিত চায়ের দোকানে। সেখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বসে চা খান এবং জনসংযোগ সারেন। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন:
“মিটিং করতে দেবে না তো কী হয়েছে? ভবানীপুর আমার নিজের জায়গা, এখানে আসার জন্য আমার কারো অনুমতির দরকার নেই।”
“আমি এসেছি, চা খাচ্ছি, মানুষের সাথে কথা বলছি— এটাই আসল মিটিং।”
রাজনৈতিক মহলে চর্চা
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সভার অনুমতি না পাওয়াকে কাজে লাগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের মানুষের আবেগকে আরও বেশি করে ছুঁতে চেয়েছেন। পুলিশের বারণ অগ্রাহ্য করে তাঁর এই চায়ের দোকানে বসে পড়া আসলে বিরোধীদের জন্য একটি নীরব চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে, বিজেপি এই ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছে।
নিজের এলাকায় সভার অনুমতি না পাওয়া কি মমতার প্রতি অবিচার? না কি নিয়ম সবার জন্য সমান হওয়া উচিত? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।





