প্রজনন ঋতুতে মাছ সংরক্ষণের জন্য এবার নদীতেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করলো জলপাইগুড়ি জেলা মৎস্য দফতর। বিশেষ করে বোরলি মাছের প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত তিস্তা, জলঢাকা এবং করলা নদীতে ছোট ও চাইনিজ জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা আগামী অক্টোবর মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
জেলা মৎস্য দফতর এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নদী সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছে। লিফলেট বিতরণ করে স্থানীয় বাসিন্দাদের এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে অবগত করা হচ্ছে। মৎস্য দফতরের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে জেল ও জরিমানা দুটোই হতে পারে।
এই পদক্ষেপ মূলত বোরলি-সহ অন্যান্য স্থানীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য নেওয়া হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমেও বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বেআইনি পদ্ধতিতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য তিস্তা পাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।
মৎস্য দফতরের এই উদ্যোগকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় মৎস্যজীবীরাও মনে করছেন, ছোট জাল ব্যবহার করে মাছ ধরলে দীর্ঘমেয়াদে তাঁদের নিজেদেরই ক্ষতি হবে, কারণ এতে মাছের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এই নিষেধাজ্ঞা বোরলি মাছের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে এবং নদীর বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।





