মার্চ-এপ্রিল মানেই বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের বুকে দুরুদুরু দুলুনি। সারা বছরের পরিশ্রমের ফসল অর্থাৎ ‘অ্যাপ্রেইজাল’ ও ‘ইনক্রিমেন্ট’ প্রক্রিয়ার মাহেন্দ্রক্ষণ। মে-জুন মাস নাগাদ হাতে ইনক্রিমেন্ট লেটার আসার আগেই ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট পেশ করল এইচআর সলিউশনস কোম্পানি ‘জিনিয়াস এইচআরটেক’। কোটি কোটি কর্মীর উৎকণ্ঠা কমিয়ে এই রিপোর্টে বেতন কাঠামোর এক স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী অর্থবর্ষে নিয়োগের বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকবে মিড-লেভেল পেশাদারদের। প্রায় ৪৯ শতাংশ নিয়োগকর্তা এই স্তরের কর্মীদের ওপরই নজর দিচ্ছেন। তবে বেতনের অংকের ক্ষেত্রে কিছুটা হিসেবি পথে হাঁটছে সংস্থাগুলি। দেখা যাচ্ছে, ৪৩ শতাংশ সংস্থা বেতন বৃদ্ধি ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইলেও, ৩৪ শতাংশ উত্তরদাতা ১০ শতাংশের বেশি ইনক্রিমেন্টের আশা করছেন। সামগ্রিকভাবে অধিকাংশ কর্মীর বেতন ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল।
এই ইনক্রিমেন্টের সবচেয়ে বেশি সুফল পেতে চলেছেন মিড-সিনিয়রের স্তরের কর্মীরা। ৪৮ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট এই স্তরেই বণ্টিত হওয়ার সম্ভাবনা। তবে এবারের ইনক্রিমেন্টে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে নতুন ‘শ্রম কোড’। প্রায় ৫৭ শতাংশ বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, নতুন নিয়ন্ত্রক নীতির ফলে বেতন কাঠামো বা স্কেলে বড়সড় রদবদল হতে পারে। এর পাশাপাশি বাড়ছে কর্মী ছাঁটাই বা চাকরি ছাড়ার (Attrition) হারও। প্রায় ১৫ শতাংশ বিশেষজ্ঞের মতে, এই হার ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে, যা সংস্থাগুলোর জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।





