অষ্টম বেতন কমিশন গঠন এবং বেতন কাঠামো পরিবর্তনের জল্পনা তুঙ্গে। প্রায় ১ কোটি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য এই খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছেন। যদি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বিলম্ব হয়, তবে কর্মচারীরা বকেয়া হিসাবে মোটা অঙ্কের এককালীন অর্থ পেতে চলেছেন।
বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, ‘লেভেল ৩’ কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনা ব্যাপক। যদি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ১.৫৭ হয়, তবে মাসিক মূল বেতন বেড়ে দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫৫,৭৬৯ টাকা। এর ভিত্তিতে ২০ মাস বিলম্বের হিসাব ধরলে, কর্মচারীরা বকেয়া বাবদ প্রায় ৪.৩৪ লক্ষ থেকে ৬.৮১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। তবে, এই বকেয়া হিসাব শুধুমাত্র মূল বেতনের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে। প্রকৃত পাওনা আরও বেশি হতে পারে, কারণ সংশোধিত মূল বেতনের ওপর মহার্ঘ ভাতা (DA) পুনর্গণনা করা হবে। অবশ্য, বাড়ি ভাড়া ভাতা (HRA) এবং পরিবহন ভাতা (TA) সাধারণত বিজ্ঞপ্তির তারিখ থেকেই কার্যকর হয়।
বর্তমানে প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জন প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে অষ্টম বেতন কমিশন বিভিন্ন ইউনিয়ন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি পর্যালোচনা করছে। ইউনিয়নগুলো ৩.৮৩ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের দাবি করলেও, আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সরকার সম্ভবত ২.২৮ থেকে ২.৫৭ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে সম্মত হতে পারে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তারিখ ঘোষিত হয়নি, তবে ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।





