বেতন কমিশন নিয়ে সরকার কী ভাবছে? মুখ্যসচিবকে চিঠি দিল ইউনিটি ফোরাম, কবে মিলবে সপ্তম পে কমিশনের সুবিধা?

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মীদের (State Government Employees) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) গঠন নিয়ে তীব্র জল্পনা চলছে। বর্তমানে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের প্রায় দশ বছর পূর্ণ হতে চললেও, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পরবর্তী কমিশন নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি এবার বেতন কমিশন গঠিত হবে না?
অষ্টম বেতন কমিশনের অপেক্ষা, নজরে নূন্যতম বেতন
অন্যদিকে, মাত্র দু’মাস পর ২০২৬ সাল আসছে। নতুন বছরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য অষ্টম বেতন কমিশন গঠিত হবে। মনে করা হচ্ছে, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ঠিক থাকলে কেন্দ্রীয় কর্মীদের নূন্যতম বেতন ৫০ হাজার টাকারও বেশি হতে পারে। পাশাপাশি, বাড়বে পেনশনও। এই অবস্থায় রাজ্য সরকারি কর্মীরাও নিজেদের সপ্তম কমিশনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
নবান্নে আইনি নোটিস
পশ্চিমবঙ্গে ষষ্ঠ বেতন কমিশন গঠিত হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর, ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর। এবার তার দশ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। কিন্তু, সপ্তম পে কমিশন নিয়ে এখনও কোনো ঘোষণা না হওয়ায় কর্মচারী সংগঠনগুলি সক্রিয় হয়েছে। সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের দাবিতে রাজ্য সরকারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি নোটিশ দিয়েছে কর্মচারী সংগঠন ইউনিটি ফোরাম।
এই নোটিসটি মুখ্য সচিব এবং অর্থ দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবকে পাঠানো হয়েছে। ইউনিটি ফোরাম-এর আহ্বায়ক শ্রী দেবপ্রাসাদ হালদার ও শ্রী পলাশ দত্ত এই আইনি নোটিস জারি করেছেন।
সরকারের ভাবনা জানতে চাওয়া হলো
আইনি নোটিসের মাধ্যমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন কমিশন গঠন নিয়ে সরকার কী ভাবনা চিন্তা করছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ঘোষণা হলেও তার সুপারিশ অনুমোদন হয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, এবং বাস্তবায়ন হয়েছিল আরও পরে। বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীদের আশা, হয়তো ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে নতুন পে কমিশন গঠনের কথা ঘোষণা হতে পারে।
তবে, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আপাতত কোনো আপডেট আসেনি। এখন শুধু অপেক্ষা, নবান্ন থেকে কবে সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে কোনো সদর্থক ইঙ্গিত মেলে।