প্রথম দফার সাফল্যের পর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনকেও নিশ্ছিদ্র শান্তিতে সম্পন্ন করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। আগামী বুধবার রাজ্যের ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ। তার ঠিক আগেই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে ‘অপারেশন ক্লিন’ শুরুর কড়া নির্দেশ দিল কমিশন। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে বিশেষ অভিযান চালাতে হবে এবং উদ্ধার হওয়া বোমা দ্রুত নিষ্ক্রিয় করতে হবে। ভোটের দিন যাতে কোনওভাবেই বিস্ফোরণের ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করার দায়ভার সরাসরি সংশ্লিষ্ট থানার আধিকারিকদের ওপর চাপিয়েছে কমিশন।
কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে নজরদারিতে বড়সড় বদল আনা হচ্ছে। এতদিন শুধুমাত্র বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি থাকত, এবার বুথে যাওয়ার রাস্তাতেও সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে বিস্ফোরক উদ্ধারে এনআইএ (NIA) তদন্ত শুরু করলেও স্থানীয় পুলিশকে হাত গুটিয়ে বসে না থেকে সক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাশীপুর ও মাঝেরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩.৩৭ কেজি গানপাউডার, ১.৬১ কেজি সালফার এবং ৭৯টি সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কলকাতার পুলিশ কমিশনার থেকে শুরু করে মহকুমা ও থানা স্তরের সমস্ত আধিকারিকদের উদ্দেশে কমিশনের বার্তা অত্যন্ত কড়া। যদি কোনও এলাকায় বিস্ফোরক মজুত থাকে বা দুষ্কৃতীরা ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে, তবে সংশ্লিষ্ট ওসি বা আইসি-কে ‘নজিরবিহীন পরিণতির’ মুখে পড়তে হবে। প্রথম দফার ১৫২টি আসনে সেভাবে বড় কোনও গোলমাল না হওয়ায়, দ্বিতীয় দফাতেও সেই রেকর্ড বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর কমিশন। হুমকি বা ভয় দেখানোর সামান্যতম অভিযোগ পেলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এরিয়া ডমিনেশন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





