২০২১ সালে ‘কাঁচা বাদাম’ গানের সেই উন্মাদনা আজও ভোলেনি নেটপাড়া। বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের কুড়ালজুড়ি গ্রামের সাধারণ বাদাম বিক্রেতা থেকে রাতারাতি আন্তর্জাতিক তারকা হয়ে ওঠা ভুবন বাদ্যকর ওরফে ‘বাদাম কাকু’ এখন কেমন আছেন? সময় গড়ালেও তাঁর জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। আজও প্রতিদিন বহু অনুরাগী বীরভূমের এই শিল্পীর টানে পাড়ি দিচ্ছেন তাঁর গ্রামে।
অনেকেই সঠিক পথের হদিস না পেয়ে সমস্যায় পড়েন। ভুবন বাবুর বাড়িতে পৌঁছানো এখন অত্যন্ত সহজ। বীরভূমের দুবরাজপুর স্টেশন থেকে সড়কপথে তাঁর গ্রামের দূরত্ব মাত্র ৮ কিলোমিটার। দুবরাজপুর থেকে পণ্ডিতপুর হয়ে কুড়ালজুড়ি গ্রামে ঢোকার মুখেই একটি যাত্রী প্রতীক্ষালয় ল্যান্ডমার্ক হিসেবে চোখে পড়বে। সেখান থেকে বামদিকের কংক্রিটের রাস্তা ধরে এগোলেই দেখা মিলবে বাদাম কাকুর বসতভিটার।
বর্তমানে বেশ খোশমেজাজেই দিন কাটছে এই লোকশিল্পীর। সংবাদমাধ্যম থেকে পর্যটক—সবার জন্যই তাঁর দুয়ার খোলা। গ্রামবাসীদের সাহায্যপ্রবণ ব্যবহার আর শিশুদের কলরবে মুখরিত কুড়ালজুড়ি এখন কার্যত পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিয়ে ভুবন বাদ্যকর বলেন, “আমি খুব ভালো আছি। মানুষের ভালোবাসা আর আশীর্বাদ পেয়ে আমি ধন্য। কেউ দেখা করতে এলে আমি আজও সেই আগের মতোই আনন্দ পাই।”