বিহারকে ঘৃণা করে এই মানুষগুলি’, কংগ্রেসের ‘বিড়ি-বিহার’ পোস্ট নিয়ে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী!

ভোটমুখী বিহারের পূর্ণিয়া থেকে কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলকে (আরজেডি) তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সম্প্রতি কংগ্রেসের ‘বিড়ি-বিহার’ পোস্ট নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাকে হাতিয়ার করে মোদী বলেন, যখনই বিহার উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়, তখনই বিরোধী দলগুলো রাজ্যটিকে অপমান করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
‘বিড়ি-বিহার’ বিতর্কে আক্রমণ
কয়েকদিন আগে কংগ্রেসের কেরল শাখা জিএসটি নিয়ে একটি বিতর্কিত পোস্ট করে। সেই পোস্টে লেখা হয়েছিল, “বিড়ি ও বিহার দুটোই ‘বি’ দিয়ে শুরু হয়। তাই আর এগুলিকে পাপ বলে মনে করা হবে না।” এই পোস্টটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে এবং পরে কংগ্রেস ক্ষমা চেয়ে সেটি মুছে ফেলতে বাধ্য হয়।
এই বিতর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিহারের তৈরি রেল ইঞ্জিন এখন আফ্রিকায় রফতানি হচ্ছে। কিন্তু কংগ্রেস এবং আরজেডি নেতারা এটা পছন্দ করছেন না। কংগ্রেস, আরজেডি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিহারকে বিড়ির সঙ্গে তুলনা করে রাজ্যের সম্মান নষ্ট করছে। এই মানুষগুলি বিহারকে ঘৃণা করে।”
পরিবারতন্ত্র বনাম জনগণের কল্যাণ
মোদী তার সরকার এবং বিরোধী দলের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আরজেডি এবং কংগ্রেসের কাছে সবচেয়ে বড় চিন্তা হল নিজেদের পরিবারের কথা ভাবা। কিন্তু আমার কাছে আপনারা সবাই পরিবার। আর সে কারণেই আমি বলি, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’। মোদী আপনাদের খরচ এবং সঞ্চয়ের কথা ভাবে।”
জিএসটি কমানোর সিদ্ধান্তকে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক বলে উল্লেখ করেন। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী যেমন টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু এবং অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দাম কমবে, যা উৎসবের মরসুমে সাধারণ পরিবারের বাজেটকে স্বস্তি দেবে।
বিহারে সুশাসনের অভাব নিয়ে আরজেডি ও কংগ্রেসের কড়া সমালোচনা করে মোদী বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মা-বোনেরা এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।