বিরাট পেটে আন্দাজ করাই যেত! বিশ্বের সবচেয়ে ভারী শিশুর জন্ম দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন মা

জন্ম নিল এক ‘বিশাল’ শিশু! আর সেই কারণেই গোটা বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন একটি মার্কিন হাসপাতাল। নবজাতকের ওজন এত বেশি ছিল যে, তা শুধু হাসপাতালের পুরোনো রেকর্ডই ভাঙেনি, বিস্মিত করেছে খোদ ডাক্তারদেরও। এই অবাক করা ঘটনার বিবরণ ও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন শিশুটির মা, যা ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখ কপালে তুলেছে এবং রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা শেলবি মার্টিন সম্প্রতি তাঁর নবজাতক সন্তানের ছবি প্রকাশ করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। শেলবি জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে ক্যাসিয়ান জন্মের সময়ই হাসপাতালের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
নিজের গর্ভাবস্থা ও ক্যাসিয়ানের জন্মের পরের ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টে শেয়ার করেছেন শেলবি। প্রথম ছবিতে, হাসপাতালের গাউন পরিহিত শেলবিকে দেখা যাচ্ছে তাঁর অত্যন্ত বড় ‘বেবি বাম্প’ (Baby Bump)-এর সঙ্গে। এই ছবিটি দেখেই স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়, গর্ভস্থ শিশুটির ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেশি ছিল।
কতটা ভারী ছিল ক্যাসিয়ান?
আশ্চর্যজনকভাবে, জন্মের সময় ক্যাসিয়ানের ওজন ছিল প্রায় ১২ পাউন্ড ১৪ আউন্স (৬ কেজি)! যেখানে সাধারণত একটি নবজাতকের গড় ওজন হয়ে থাকে প্রায় ৩ কেজি।
এই বিপুল ওজন দেখে হাসপাতাল কর্মীরাও বিস্মিত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, গত তিন বছরের মধ্যে ক্যাসিয়ানই তাদের হাসপাতালে জন্ম নেওয়া সবচেয়ে ভারী শিশু। শুধু তাই নয়, ক্যাসিয়ান জন্মগ্রহণ করেছে তার মায়ের জন্মদিনেই। তাই এই বিশেষ জন্মকে শেলবি নিজের জীবনের ‘সবচেয়ে বড় উপহার’ হিসেবে মনে করছেন। এই বিরল ঘটনাটি বর্তমানে ডেইলিয়ান্ট (DailyHunt)-এর মতো প্ল্যাটফর্মে রীতিমতো চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।