প্রতীক্ষার অবসান! SIR খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত, মোবাইল থেকেই ২ মিনিটে চেক করুন আপনার নাম

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে SIR প্রক্রিয়ার খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আপনার কাছে একটি মোবাইল ফোন থাকলেই আপনি খুব সহজে এখনই দেখে নিতে পারবেন আপনার নাম এসআইআর পরবর্তী ভোটার তালিকায় আছে কি না।

খসড়া তালিকা দেখার দুটি প্রধান উপায় নিচে দেওয়া হলো:

১. নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে: আপনার মোবাইলে voters.eci.gov.in এই ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই সরাসরি তালিকা দেখতে পাবেন। ২. নির্বাচন কমিশনের অ্যাপে (ECINET): কমিশনের অ্যাপ ‘ECINET’-এও খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এটি ডাউনলোড করতে আপনাকে Google Play Store অথবা Apple App Store-এ যেতে হবে।

খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কী করবেন?

তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ বা সংশোধনের জন্য আবেদন জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে অভিযোগ খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ নেবে।

নাম বাদ যাওয়ার তালিকায় নাম থাকলে: যদি আপনার নাম বাদ যাওয়ার তালিকায় থাকে, তবে নির্বাচন কমিশন আপনাকে শুনানির জন্য ডাকতে পারে। ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি অবধি শুনানি এবং ভেরিফিকেশন চলবে।

খসড়া তালিকায় নাম নেই, অথচ নোটিস পাননি: নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেক্ষেত্রে আপনাকে ফর্ম ৬-এর অ্যানেক্সার ৪ (Form 6, Annexure 4) ফিলআপ করে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানাতে হবে।

সব প্রক্রিয়া শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে।

শুনানিতে কী কী নথি নিয়ে যেতে হবে?

যদি আপনাকে শুনানিতে ডাকা হয়, তাহলে আপনার নাগরিকত্ব ও ভোটার হওয়ার যোগ্যতা প্রমাণের জন্য আধার কার্ড ছাড়াও নিচের যেকোনো একটি নথি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে:

১. কেন্দ্রীয় অথবা রাজ্য সরকারের কর্মী হিসাবে কাজ করেছেন বা পেনশন পান, এমন পরিচয়পত্র। ২. ১৯৮৭ সালের পয়লা জুলাইয়ের আগে ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, LIC, স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া যে কোনও নথি। ৩. বার্থ সার্টিফিকেট (জন্ম প্রমাণপত্র)। ৪. পাসপোর্ট। ৫. মাধ্যমিক বা তার পরের শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট। ৬. রাজ্য সরকারের অধীনস্থ কোনও উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া বাসস্থানের সার্টিফিকেট। ৭. ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট। ৮. জাতিগত সার্টিফিকেট। ৯. জাতীয় নাগরিকপঞ্জী (শুধুমাত্র অসমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)। ১০. স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া ফ্যামিলি রেজিস্টার। ১১. সরকারের দেওয়া ল্যান্ড অথবা হাউস অ্যালটমেন্ট সার্টিফিকেট।

কমিশনের কড়া সতর্কতা:

নির্বাচন কমিশন সতর্ক করেছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ৩৩৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি নথি জাল করেন, তাহলে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা হতে পারে।