পশ্চিম এশিয়ায় চলমান ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রবাদে দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের জোগানে চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) রাতে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক একটি বিশেষ গ্যাজেট নোটিফিকেশন জারি করেছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাঁদের বাড়িতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে রান্নার গ্যাস (PNG) পৌঁছে গিয়েছে, তাঁরা আর এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার রিফিল করতে পারবেন না। এমনকি যদি কারোর কাছে পুরনো সিলিন্ডার গচ্ছিত থাকে, তবে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে সমর্পণ (Surrender) করতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রকের জারি করা সংশোধিত ‘এলপিজি (সরবরাহ ও বন্টন নিয়ন্ত্রণ) অর্ডার, ২০২৬’ অনুযায়ী, পিএনজি গ্রাহকদের সিলিন্ডার রিফিল দেওয়া এখন থেকে একটি ‘নিষিদ্ধ কাজ’ হিসেবে গণ্য হবে। তেল সংস্থাগুলিকে (IOCL, HPCL, BPCL) স্পষ্ট জানানো হয়েছে, পিএনজি গ্রাহকদের নতুন সংযোগ বা রিফিল বুকিং কোনোভাবেই গ্রহণ করা যাবে না। যদি কোনো ডিস্ট্রিবিউটর এই নিয়ম অমান্য করে, তবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।
কেন্দ্রের দাবি, দেশে প্রায় ৬০ লক্ষ পরিবার এমন এলাকায় রয়েছে যেখানে পিএনজি পরিকাঠামো মজুত। তাঁদের পিএনজি ব্যবহারের মাধ্যমে সংরক্ষিত এলপিজি সিলিন্ডারগুলি সেই সমস্ত দুর্গম এলাকায় পাঠানো হবে যেখানে পাইপ লাইন পৌঁছানো সম্ভব নয়। এর ফলে যেমন সিলিন্ডারের কালোবাজারি কমবে, তেমনই ‘প্যানিক বুকিং’ সামাল দিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হবে।