আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় চমক। বারাণসীতে এক অনুষ্ঠানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি ডঃ আব্দুল মজিদ হাকিম এলাহী সাফ জানালেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র চায় না। তাঁর দাবি, ইসলামে পারমাণবিক অস্ত্র রাখা ‘হারাম’ বা নিষিদ্ধ, আর এই ফতোয়া মেনেই ইরান তিন দশক ধরে তাদের অবস্থান বজায় রেখেছে। পশ্চিমী দুনিয়ার পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার অভিযোগ উড়িয়ে তিনি বলেন, “আমরা আগেও এগুলো চাইনি, এখনও চাই না।”
এদিকে, এই বিবৃতির পরই বিশ্বজুড়ে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার সঙ্গে একটি গোপন চুক্তির পথে হাঁটছে তেহরান। সেই অনুযায়ী, ইরান তাদের মজুত থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার কাছে হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই ইউরেনিয়াম দিয়ে বেশ কয়েকটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব ছিল। সামরিক অভিযানের হুঁশিয়ারি এবং কূটনৈতিক আলোচনার চাপে ইরান এই নমনীয় অবস্থান নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের এই অবস্থানকে পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত রাজনীতিতে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানকে পারমাণবিক শক্তি অর্জনে বাধা দেওয়াকে আমেরিকার অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে তা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।





