বাঙালির গরমে পরম তৃপ্তি হলো পান্তা ভাত। কিন্তু এবার পান্তার স্বাদ আর পুষ্টির এক আধুনিক ও আরও শক্তিশালী রূপ নিয়ে হাজির হয়েছে ‘রাইস কাঞ্জি’ (Rice Kanji)। দক্ষিণ ভারতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই পানীয় এখন উত্তর ও পূর্ব ভারতেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গরমে শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে এর জুড়ি মেলা ভার।
রাইস কাঞ্জি আসলে কী?
অনেকেই একে পান্তা ভাতের সাথে গুলিয়ে ফেলেন। পান্তা ভাতে জল ঢেলে সারা রাত রাখা হয়, কিন্তু রাইস কাঞ্জি তৈরির প্রক্রিয়া কিছুটা আলাদা। এটি মূলত চাল এবং দইয়ের একটি বিশেষ প্রোবায়োটিক মিশ্রণ, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
কীভাবে তৈরি করবেন? (রেসিপি)
এটি তৈরি করা অত্যন্ত সহজ এবং সময়ও কম লাগে।
উপকরণ: সেদ্ধ ভাত (এক বাটি), টক দই (আধা কাপ), কাঁচা লঙ্কা, কারিপাতা, সরষে, সামান্য আদা কুচি এবং নুন।
প্রক্রিয়া: ১. প্রথমে ভাত সামান্য থেঁতো করে নিন বা ব্লেন্ডারে হালকা করে ঘুরিয়ে নিন। ২. এর মধ্যে টক দই এবং সামান্য জল মিশিয়ে একটি ঘন ঘোল তৈরি করুন। ৩. কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে সরষে, কারিপাতা ও আদা কুচি ফোঁড়ন দিন। ৪. এই ফোঁড়নটি ভাতের মিশ্রণে ঢেলে দিন। ৫. স্বাদমতো নুন ও লঙ্কা দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।
উপকারিতা:
প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক: এর মধ্য থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়া পেট ঠান্ডা রাখে এবং হজম ক্ষমতা বাড়ায়।
এনার্জি বুস্টার: প্রখর রোদে কাজ করার পর এক গ্লাস কাঞ্জি মুহূর্তের মধ্যে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, ফলে বার বার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতে এবার আপনার দুপুরের মেনুতে ভাতের বদলে জায়গা করে নিতেই পারে এই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ‘রাইস কাঞ্জি’।





