‘পরীক্ষা পে চর্চা’র গিনেস রেকর্ড, মোদীর উদ্যোগের সাফল্যে খুশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা

প্রধানমন্ত্রীর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ কর্মসূচি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম নথিভুক্ত করে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। চলতি বছর এই উদ্যোগে ৩.৫ কোটিরও বেশি নাম নথিভুক্ত হয়েছে, যা একটি রেকর্ড। এই স্বীকৃতি শুধুমাত্র একটি সংখ্যার বিজয় নয়, বরং পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য এই কর্মসূচির ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং সফলতার প্রতিফলন।

২০১৮ সালে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিটি শিক্ষার্থীদের কাছে পরীক্ষার চাপকে একটি উৎসবের মতো করে তোলার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মনের কথা শোনেন এবং মূল্যবান পরামর্শ দেন। এই উদ্যোগের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করে যে, এটি শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই স্বীকৃতিকে ‘রেকর্ড-ব্রেকিং কৃতিত্ব’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এটি মানব সম্পদ উন্নয়নে ভারতের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করবে এবং এটি দেশের জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেবল নথিভুক্ত অংশগ্রহণকারীই নয়, ২১ কোটিরও বেশি দর্শক টেলিভিশনে এই অনুষ্ঠানটি দেখেছেন।

এই সাফল্যটি স্পষ্ট করে যে, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ এখন শুধুমাত্র একটি সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এই কর্মসূচিটি শিক্ষার্থীদের, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে একটি ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করতে সাহায্য করেছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই উদ্যোগটি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।