পনিরে বিষ! যোগী সরকারের কড়া পদক্ষেপে এবার উত্তরপ্রদেশে নিষিদ্ধ হলো ক্রিম, ঘি ও অ্যানালগ চিজ

দেশজুড়ে দুগ্ধজাত পণ্যে ভেজাল মেশানোর কারবারের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল যোগী আদিত্যনাথ সরকার। উত্তরাখণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, মহারাষ্ট্র এবং ছত্তিশগড়ের পথ অনুসরণ করে এবার উত্তরপ্রদেশেও অ্যানালগ চিজ, ক্রিম, ঘি, ছানা এবং খোয়া নিষিদ্ধ করা হলো। খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইন, ২০০৬ অনুযায়ী দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যগুলিকে তাদের আসল এবং খাঁটি রূপেই বিক্রি করতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।
৫টি মূল বিষয়:
কঠোর পদক্ষেপ: উত্তরপ্রদেশে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যে ভেজাল মেশানোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
নিষিদ্ধ সামগ্রী: নকল পনির, ক্রিম, ঘি, ছানা ও খোয়ার মতো সামগ্রীর উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ভেজাল প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট উৎপাদন ইউনিট বাজেয়াপ্ত এবং সরাসরি কোম্পানিকেই নিষিদ্ধ করা হবে।
আইনি কড়াকড়ি: বিপজ্জনক রাসায়নিকের ব্যবহার ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হবে।
অন্যান্য রাজ্য: উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি উত্তরাখণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, মহারাষ্ট্র এবং ছত্তিশগঞ্চেও এই জাতীয় বিকল্প পণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরিদর্শনে দুগ্ধজাত পণ্যের নমুনায় মার্জারিন বা উদ্ভিজ্জ চর্বি, সয়াবিন ও সয়া-ভিত্তিক পণ্য, ট্যালকম পাউডার, ডিটারজেন্ট, টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড, তরল গ্লুকোজ, হাইড্রোজেন পারক্সাইডের মতো ক্ষতিকর ও বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পরই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারের নতুন নির্দেশিকায় পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যজুড়ে ভেজাল পণ্য উৎপাদনকারী কোনো সংস্থা বা ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হবে। এমনকি রাজ্যের বাইরে উৎপাদিত কোনো পণ্যেও যদি ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়, তবে উত্তরপ্রদেশের কোথাও সেই ব্র্যান্ডের বিক্রি করতে দেওয়া হবে না এবং তৎক্ষণাৎ তাদের খাদ্য লাইসেন্স ও নিবন্ধন বাতিল করা হবে। জনসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তা কমিশনারকে এই বিপজ্জনক পদার্থগুলির ব্যবহার সম্পূর্ণ নির্মূল করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।