“নির্বাচনে কোনো প্রতিযোগিতাই নেই, জয় নিশ্চিত!” ৪০ প্রার্থীর প্রথম তালিকা প্রকাশ করেই গর্জে উঠলেন ভগবন্ত মান

২০২৭ সালের পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের দামামা আনুষ্ঠানিকভাবে বাজিয়ে দিল আম আদমি পার্টি (AAP)। নির্বাচন ঘোষণার বহু আগেই ৪০ জন প্রার্থীর প্রথম শক্তিশালী তালিকা প্রকাশ করে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শিবিরগুলিকে রীতিমতো ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে দলটি। আপ-এর জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে আয়োজিত হাই-প্রোফাইল পিএসি (PAC) বৈঠকের পরই এই প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

তালিকা প্রকাশের পরপরই পঞ্জাবের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁদের দল সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী এবং ২০২৭ সালেও ২০২২-এর মতোই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। জানা গিয়েছে, ভগবন্ত মানকে তাঁর পুরোনো চেনা কেন্দ্র ‘ধুরি’ (Dhuri) থেকেই পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিয়েছে দল।

🌟 “রংলা পঞ্জাব-এর অগ্রগতির যাত্রা অব্যাহত থাকবে”

দিল্লিতে পিএসি (PAC) বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান প্রথমাংশের প্রার্থী ও দলীয় কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে এক বার্তা দেন। তিনি বলেন:

“আম আদমি পার্টি আসন্ন ২০২৭ সালের পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ৪০ জন প্রার্থীর প্রথম তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রার্থীর এই আগাম ঘোষণা দলের শক্তিশালী প্রস্তুতি, কাজের স্বচ্ছতা এবং আমাদের সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের অটল আস্থারই জ্বলন্ত প্রমাণ।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আসুন আমরা সবাই মিলে তৃণমূল স্তরের মানুষের সঙ্গে আরও সুদৃঢ়ভাবে যুক্ত হই এবং ‘রংলা পঞ্জাব’ (একটি প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ পঞ্জাব)-এর অগ্রগতির এই সোনালী যাত্রা অব্যাহত রাখি।”

📊 জনমত সমীক্ষার ভিত্তিতে টিকিট ও বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ

প্রার্থী নির্বাচনের কৌশল খোলসা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিধানসভার টিকিট বণ্টন কোনো হুটহাট সিদ্ধান্ত নয়; দীর্ঘ ও বিস্তারিত আলোচনার পর সম্পূর্ণ জনমত সমীক্ষার (Public Survey) ওপর ভিত্তি করেই নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। যে সব নেতা ইতিবাচক জনসমর্থন পেয়েছেন, দলটি তাঁদের ওপরেই পুনরায় বিশ্বাস রেখেছে। এর পাশাপাশি আসন্ন তালিকায় অনেক নতুন মুখকেও সুযোগ দেওয়া হবে।

বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে ভগবন্ত মান বলেন:

  • আগাম প্রস্তুতির সুবিধা: “আমরা নির্বাচনের তিন-চার মাস আগেই তালিকা প্রকাশ করছি, যাতে প্রার্থীরা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথা তুলে ধরার পর্যাপ্ত সময় পান।”

  • কংগ্রেসের ভয় ও আতঙ্ক: কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “কংগ্রেস সর্বদা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বিদ্রোহ বা নির্দল প্রার্থীদের ভয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আতঙ্কে ভোগে। তাই তারা টিকিট দিতে দেরি করে। কিন্তু আপ-এর সঙ্গে কারও কোনো প্রতিযোগিতা নেই, আমাদের জয় সুনিশ্চিত।”