আমির খানের অফিসে ঢুকেছেন পরিচালক বীর দাস। লক্ষ্য, তাঁর নতুন ছবি ‘হ্যাপি পটেল’-এর বাজেট নিয়ে আলোচনা। কিন্তু কেবিনে ঢুকে বীর তো অবাক! আমিরের চেয়ারে বসে স্বয়ং আমির খান। কিন্তু এ কী? একটু পরেই ঘরে ঢুকলেন আরও এক আমির! দুই আমিরের চশমা থেকে হেয়ার স্টাইল— সবটাই এক। আসল-নকল চেনা দায়! ঠিক এই গোলকধাঁধাতেই ফেঁসে গেলেন খোদ মিস্টার পারফেকশনিস্ট।
নিজের অফিসেই ‘আউট’ আমির!
আসলে গোটা বিষয়টি একটি মজার প্রোমোশনাল ভিডিওর অংশ। আমিরের চেয়ারে জাঁকিয়ে বসেছিলেন জনপ্রিয় কমেডিয়ান সুনীল গ্রোভার। আমিরের অবিকল নকল করতে ওস্তাদ সুনীল এতটাই নিখুঁত অভিনয় করলেন যে, পরিচালক বীর দাস তাঁকেই আসল আমির ভেবে বসলেন। সুযোগ বুঝে সুনীলও আমিরের চেক বই থেকে বীরকে তাঁর পরবর্তী ছবি, এমনকি সিক্যুয়ালের জন্যও মোটা অঙ্কের চেক সই করে দিয়ে দিলেন!
সিকিউরিটি গার্ডদের গন্ডগোল
ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘরে ঢোকেন আসল আমির খান। তিনি রেগেমেগে সুনীলকে বের করে দেওয়ার জন্য নিরাপত্তারক্ষীদের ডাকেন। কিন্তু পাশা উল্টে যায় সেখানেই! চতুর সুনীল নিরাপত্তারক্ষীদের হাতেও পেমেন্টের চেক ধরিয়ে দেন। মোটা টাকার চেক হাতে পেয়ে নিরাপত্তারক্ষীরা উল্টে আসল আমিরকেই ‘ভুয়ো’ ঠাওরান এবং তাঁকে টেনেহিঁচড়ে অফিস থেকে বের করে দেন।
কেন এই নাটক?
আসলে বীর দাসের পরিচালনায় আসতে চলেছে নতুন ছবি ‘হ্যাপি পটেল’। এই ছবির প্রযোজক আমির খান নিজে এবং একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ও করছেন তিনি। ছবির প্রচারকে এক অনন্য মাত্রা দিতেই আমির ও সুনীল গ্রোভারের এই ‘জুটি’ নিয়ে বিশেষ ভিডিওটি বানানো হয়েছে।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই নেটদুনিয়ায় হাসির রোল উঠেছে। অনুরাগীদের মতে, সুনীল গ্রোভারের ‘আমির অবতার’ এতটাই নিখুঁত যে আমিরের নিজেরও মাঝেমাঝে ধাঁধা লেগে যেতে পারে!





