১৫ জুন নয়ডা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে প্রথম কমার্শিয়াল ফ্লাইট ল্যান্ড করার সাথে সাথেই যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে করিডোর এক নতুন অর্থনৈতিক বিপ্লবের মুখে দাঁড়িয়েছে। ১১,২০০ কোটি টাকার এই প্রকল্প শুধু বিমান চলাচলের কেন্দ্র নয়, বরং এটি লজিস্টিকস, ওয়্যারহাউজিং এবং বিজনেস হাব হিসেবে এক শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে।
রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই এলাকায় ফ্ল্যাটের দাম প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। কিছু বিশেষ এলাকায় এই বৃদ্ধি ৫ গুণ পর্যন্ত ছুঁয়েছে। আগামী দুই বছরে প্লটের দাম ২৮% এবং অ্যাপার্টমেন্টের দাম ২২% পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এই অঞ্চলে ৩-বিএইচকে অ্যাপার্টমেন্টের দাম ১ কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মধ্যে এবং স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্টের দাম প্রায় ৮৫ লাখ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে ১২-১৩% পর্যন্ত বার্ষিক রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন শিল্প প্রকল্পগুলো থেকে ৫০ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, যা আবাসিক চাহিদাকে আরও শক্তিশালী করবে। ক্রেডাই ওয়েস্টর্ন ইউপি-র প্রেসিডেন্ট দীনেশ গুপ্তার মতে, এটি কেবল যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে নয়, বরং পুরো এনসিআর (NCR)-এর রিয়েল এস্টেট মানচিত্র বদলে দেবে। কানেক্টিভিটি এবং অবকাঠামোগত উন্নতির কারণে এই এলাকা আগামী এক দশকে দেশের সবচেয়ে গতিশীল রিয়েল এস্টেট বাজারে পরিণত হতে চলেছে।





