সুখ-সমৃদ্ধি আর সৌভাগ্যের চাবিকাঠি! বাড়িতে স্বস্তিক আঁকার সঠিক নিয়মগুলো জানেন তো?

হিন্দু ধর্মে স্বস্তিককে ভগবান শ্রীগণেশের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। যেকোনো শুভ কাজ বা পুজোর সূচনা স্বস্তিক চিহ্ন ছাড়া অসম্পূর্ণ। কিন্তু বাড়ির সদর দরজায় স্বস্তিক কেন আঁকা হয়, তা কি জানেন? বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়ির প্রবেশপথে স্বস্তিক আঁকা অত্যন্ত শুভ, যা ঘরে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার করে।

স্বস্তিক চিহ্ন সদর দরজায় আঁকলে তা ঘরকে যাবতীয় বিপদ ও বাধা থেকে রক্ষা করে। যারা দীর্ঘকাল ধরে বাস্তুদোষে ভুগছেন, তাদের জন্য কুমকুম বা হলুদ দিয়ে সদর দরজার দুই পাশে স্বস্তিক আঁকা অত্যন্ত কার্যকরী। এটি মা লক্ষ্মীর আগমনের পথ সুগম করে এবং সংসারে ধন-ধান্য ও সুখ-শান্তি বজায় রাখে।

স্বস্তিক আঁকার কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চলা জরুরি। সবসময় সিঁদুর, রোলি বা হলুদ ব্যবহার করা উচিত। স্বস্তিকের চারটে বাহু যেন ঘড়ির কাঁটার দিকে থাকে। সর্বদা ডান হাতের অনামিকা আঙুল ব্যবহার করে এটি আঁকুন এবং স্বস্তিকের চার কোণের মাঝে একটি বিন্দু অবশ্যই দেবেন। স্বস্তিকের চারপাশে ‘শুভ-লাভ’ লেখাও শুভ বলে মনে করা হয়। তবে মনে রাখবেন, কখনোই মেঝেতে বা বাথরুমের মতো অপরিচ্ছন্ন স্থানে স্বস্তিক আঁকবেন না। নিখুঁত স্বস্তিক আঁকলেই তা পরিবারের জন্য প্রকৃত কল্যাণ বয়ে আনে।