প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘পরীক্ষা পে চর্চা’–র নবম সংস্করণে দেশজুড়ে পড়ুয়া, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করলেন। গুজরাটের দেবমোগরা থেকে শুরু করে আসামের গুয়াহাটি— দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পরীক্ষার ভয় জয় করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। উল্লেখ্য, এই বছর অনলাইন নিবন্ধনের সংখ্যা ৪ কোটির গণ্ডি ছাড়িয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।
নম্বরের ইঁদুর দৌড় নিয়ে কড়া বার্তা: প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নম্বর এখন এক ধরণের রোগে পরিণত হয়েছে। সমাজ এখন কেবল নম্বরের বিচার করে, কিন্তু সত্যি বলতে কি, কয়েক বছর পর টপারদের নামও কেউ মনে রাখে না।” তিনি পড়ুয়াদের পরামর্শ দেন নম্বরের পিছনে অন্ধের মতো না ছুটে জীবনকে বিকশিত করার দিকে মনোযোগ দিতে।
সফল হওয়ার টিপস: * টাইম ম্যানেজমেন্ট: মোদী জানান, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পরের দিনের কাজের তালিকা ডায়েরিতে লিখে রাখা উচিত। দিনের শেষে সময় কোথায় নষ্ট হলো, তা নিজেই বিশ্লেষণ করা জরুরি।
-
স্কিল বনাম মার্কস: জীবনে ভারসাম্যই শেষ কথা। কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াও শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
-
গেমিং ও প্রযুক্তি: গেম খেলাকে কেবল বিনোদন হিসেবে না দেখে সেটিকে দক্ষতা হিসেবে গড়ে তোলার এবং নতুন গেম তৈরির উৎসাহ দেন তিনি।
শিক্ষকদের জন্য পরামর্শ: শিক্ষকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ুয়াদের থেকে কয়েক কদম এগিয়ে না থেকে মাত্র এক ধাপ এগিয়ে থাকা উচিত। আগাম পাঠ্যসূচি নিয়ে আলোচনা করলে পড়ুয়াদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ বাড়ে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, পড়াশোনার কোনো বাঁধাধরা ছক নেই; প্রত্যেকের উচিত নিজের অভিজ্ঞতা ও স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী পথ বেছে নেওয়া।