আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট। তার আগে মঙ্গলবার শেষবেলার প্রচারে নিজের ‘গড়’ নন্দীগ্রামে ঝড় তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বীরুলিয়া থেকে রেয়াপাড়া—একের পর এক জনসভা ও রোড-শো’তে অংশ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন তিনি। ২০২১-এর জয়ের স্মৃতি উস্কে দিয়ে শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ভয় পেয়ে নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে সাহস পাননি।
মমতাকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ
এদিন মমতার ‘গদ্দার’ ও ‘লোডশেডিং’ মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন:
“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় বড় কথা বলেছিলেন, কিন্তু এবার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর হিম্মত পাননি। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ না করে ভবানীপুরে পালিয়ে গিয়েছেন।”
শুভেন্দুর হুঙ্কার, “নন্দীগ্রামে যেমন হারিয়েছি, ভবানীপুরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছি আমি।”
‘লুঙ্গি বাহিনী’ ও সন্ত্রাস নিয়ে সতর্কবার্তা
এদিন প্রচারে বেরিয়ে বারবার বাধার মুখে পড়েছেন শুভেন্দু। তৃণমূল কর্মীদের ‘চোর-চোর’ স্লোগানের মুখে পড়েও মেজাজ হারাননি তিনি। উল্টে নন্দীগ্রামের মানুষকে ‘লুঙ্গি বাহিনী’ ও বহিরাগত সন্ত্রাস নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, “ভোটের দিন কোনো অশান্তি সহ্য করা হবে না। নন্দীগ্রামের মানুষ জানে কীভাবে উত্তর দিতে হয়।” সাধারণ মানুষের মধ্যে বাতাসা বিলি করে এবং জনসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেন তিনি।
উন্নয়ন ও পানীয় জল প্রকল্পের কাজ নিয়ে আক্রমণ
নন্দীগ্রামের পানীয় জল প্রকল্পের কাজ থমকে থাকা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে দিচ্ছে না নবান্ন। ২০২৬-এ বিজেপি ক্ষমতায় এলে ৬ মাসের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।





