দিল্লি কাঁপানো বিস্ফোরণ: I20 গাড়ির মালিকানা বদলের রুটম্যাপে রহস্য! শেষবার Pulwama-র তারিকের হাতে— কী বলছে NIA?

দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা সরাসরি কাশ্মীরের পুলওয়ামার সঙ্গে এই ঘটনার সংযোগের দিকে ইঙ্গিত করছে। এই বিস্ফোরণে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন। দিল্লি পুলিশ, এনআইএ (NIA) ও এনএসজি (NSG) যৌথভাবে ঘটনার তদন্তে নেমেছে।
I20 গাড়ির মালিকানা বদলের রহস্য
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, যে হুন্ডাই I20 গাড়িটিতে বিস্ফোরণটি ঘটে, সেটি একাধিকবার কেনাবেচা করা হয়েছিল। গাড়িটির মালিকানা বদলের এই শৃঙ্খলে শেষবার যে নামটি উঠে এসেছে, তা হল জম্মু-কাশ্মীরের তারিক। তারিকের নাম উঠে আসতেই গোয়েন্দা মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, কারণ পুলওয়ামা অঞ্চলটি অতীতে বহু জঙ্গি চক্রান্তের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়ির কেনাবেচার সময় ব্যাপক হারে জাল কাগজপত্রের ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে গাড়ির আসল মালিককে শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। এর আগে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গাড়িটি হরিয়ানার গুরুগ্রামের সালমান নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত ছিল।
পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও উচ্চ সতর্কতা জারি
তদন্তে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে— বিস্ফোরণের কিছুদিন আগেও গাড়িটি সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গাড়িটিকে ফরিদাবাদে বেআইনি পার্কিংয়ের জন্য জরিমানাও করা হয়েছিল। এই তথ্যগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পুরো ঘটনার পেছনে একটি সুপরিকল্পিত জঙ্গি ষড়যন্ত্র রয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, সুভাষ মার্গের ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা হুন্ডাই I20 গাড়িতেই বিস্ফোরণটি ঘটে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। ফরেনসিক দল গাড়ির ধ্বংসাবশেষ থেকে সংগৃহীত বিস্ফোরক পদার্থের প্রকৃতি ও ঘনত্ব নির্ধারণের জন্য বিশ্লেষণ চালাচ্ছে। পুলওয়ামা সংযোগ এবং জাল নথির ব্যবহারের কারণে জঙ্গি ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। দিল্লি ও সংলগ্ন রাজ্যগুলোতে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা (High Alert)।