অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের টানাপোড়েন কাটিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ‘রিসেট’ বাটন টিপতে নয়াদিল্লিতে পা রাখলেন বাংলাদেশের নতুন বিদেশমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার তিন দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশ বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ঢাকা থেকে কোনও মন্ত্রীর প্রথম দিল্লি সফর, যা কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিন সাউথ ব্লকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসার কথা খলিলুর রহমানের। সূত্রের খবর, এই সফরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর (extradition) দাবিটি আবারও জোরালোভাবে তোলা হবে। এর পাশাপাশি বন্ধ থাকা ভারতীয় ভিসা পরিষেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা এবং সীমান্তে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
জ্বালানি ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও নতুন করে গতির সঞ্চার করতে চাইছে দুই দেশ। ২০১৭ সালের জ্বালানি চুক্তির সম্প্রসারণ এবং থমকে থাকা রেল ও সড়ক প্রকল্পগুলি দ্রুত শেষ করার বিষয়ে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে কথা বলবেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের মতে, এই সফর কেবল প্রোটোকল নয়, বরং ‘মর্যাদা ও সাম্যের’ ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন সূচনা। গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির নবীকরণ এবং তিস্তা ইস্যুও এই সফরের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হতে চলেছে।





