দিদির ঘর ছাড়া আর ভোটের বিপর্যয়! নীতীশের শপথের দিনে কী বার্তা দিলেন তেজস্বী?

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) ভরাডুবির পর অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন লালু-পুত্র এবং আরজেডি-র ‘অঘোষিত ক্যাপ্টেন’ তেজস্বী যাদব। ভোটের ফলাফল এবং একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে দিদি রোহিণী আচার্যর পরিবার ত্যাগের মতো বিতর্কিত ঘটনায় চাপে থাকা তেজস্বী, বৃহস্পতিবার দশমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়া জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমারকে অভিনন্দন জানালেন।

📱 ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে তেজস্বীর প্রথম প্রতিক্রিয়া

ফলাফল ঘোষণার পর এই প্রথমবার জনসমক্ষে প্রতিক্রিয়া জানালেন তেজস্বী। বৃহস্পতিবার বিকেলে এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) তিনি নীতীশ কুমারের নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি পোস্ট করেন।

তেজস্বী লেখেন:

“বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার জন্য নীতীশ কুমারজিকে আন্তরিক অভিনন্দন। মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া সমস্ত সদস্যদেরও জন্যও শুভেচ্ছা। আশা করি নতুন সরকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে এবং মানুষের প্রতি কর্তব্য পালন করবে। ভোটের আগে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা পালন করবে নতুন সরকার এবং বিহারের মানুষজনের জীবনে আনবে ইতিবাচক পরিবর্তন।”

🔄 উল্টো পথে লালু-পুত্র

লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, একদিকে যখন নির্বাচনী কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর (পিকে) নীতীশ কুমারের সরকার গঠন নিয়ে তীব্র সমালোচনায় সরব, তখন তেজস্বী যাদব কিছুটা উল্টো পথেই হাঁটলেন। তিনি নীতীশকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সযত্নে ভোটের আগে দেওয়া ‘প্রতিশ্রুতি পূরণ’-এর প্রসঙ্গটি তুলে আনলেন, যা প্রকারান্তরে নতুন সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা পূরণের চাপ সৃষ্টি করবে।

উল্লেখ্য, বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ২৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি-জেইউডি-জ়েডিইউ-সহ এনডিএ জোট পেয়েছে ২০২টি আসন, যেখানে মহাগঠবন্ধনের ঝুলিতে এসেছে মাত্র ৩৫টি আসন, যা আরজেডি-কে রাজ্যের বিরোধী দলের ভূমিকায় নিয়ে এসেছে।