২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কি মালদহের মাটি থেকেই বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? শনিবার মালদহের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘নির্মম ও অসংবেদনশীল’ সরকার বলে আক্রমণ করার পাশাপাশি বাংলার জ্বলন্ত সমস্যা ‘অনুপ্রবেশ’ নিয়ে সুর চড়ালেন তিনি। বিশ্বের ধনী দেশগুলোর উদাহরণ টেনে মোদী দাবি করেন, নিজের স্বার্থ রক্ষায় সবাই অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করছে, কিন্তু বাংলায় তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে তা কোনোদিন সম্ভব নয়।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের ১০টি মূল পয়েন্ট:
১. পরিবর্তনের ডাক: তৃণমূলকে ‘অসংবেদনশীল ও নির্মম’ আখ্যা দিয়ে মালদহ থেকে বাংলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিলেন মোদী। ২. সুশাসনের সময়: প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, বাংলায় এবার সুশাসনের সময় এসেছে এবং ব্যালট বক্সেই তার ফয়সালা হবে।
৩. পাকা বাড়ি ও রেশন: বাংলার প্রতিটি গরিব পরিবারকে পাকা বাড়ি এবং যোগ্য প্রত্যেককে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
৪. তৃণমূলের ‘লুট’: কেন্দ্রের পাঠানো টাকা তৃণমূলের নেতারা লুট করছে বলে সরাসরি অভিযোগ তোলেন প্রধানমন্ত্রী।
৫. দুর্নীতির অন্তরায়: রাজ্যস্তরে দুর্নীতির কারণেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা আমজনতার হাতে পৌঁছচ্ছে না বলে সরব হন তিনি।
৬. উন্নত ভারত ২০৪৭: ভারতকে ২০৪৭-এর মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে বাংলার উন্নয়নকে অপরিহার্য বলে বর্ণনা করেন।
৭. অন্য রাজ্যের উদাহরণ: ওড়িশা, অসম, বিহার ও ত্রিপুরার উদাহরণ দিয়ে বলেন, মানুষ এখন কেবল উন্নয়ন ও সুশাসনের পক্ষেই রায় দিচ্ছে।
৮. স্লোগান পলিটিক্স: সভায় মোদী স্লোগান তোলেন ‘পাল্টানো দরকার’, যার জবাবে উপস্থিত জনতা চিৎকার করে বলে ‘চাই বিজেপি সরকার’।
৯. আয়ুষ্মান ভারত: বাংলাই দেশের একমাত্র রাজ্য যেখানে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু নেই, এই বঞ্চনার জন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী করেন তিনি।
১০. মালদহের উন্নয়ন: নদী ভাঙন ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং মালদহের বিখ্যাত আম অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আধুনিক পরিকাঠামোর প্রতিশ্রুতি দেন মোদী।





