২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের মহাযুদ্ধে উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ ভারত—সবখানেই দেখা গেল বিপুল জনজোয়ার। বৃহস্পতিবার অসম, কেরল এবং পুদুচেরিতে এক দফায় শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনটি রাজ্যেই ভোটদানের হার যথেষ্ট সন্তোষজনক, যা রাজনৈতিক দলগুলোর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের খতিয়ান: নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী:
পুদুচেরি: সবথেকে বেশি ভোট পড়েছে কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে— ৮৬.৯২ শতাংশ।
অসম: এখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৪.৪২ শতাংশ।
কেরল: দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে ভোটদানের হার ৭৫.০১ শতাংশ।
২০২১-এর তুলনায় চিত্রটা কেমন? গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় এবারের ট্রেন্ড কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী:
অসম: ২০২১ সালে তিন দফায় ভোট হওয়ার পর চূড়ান্ত হার ছিল ৮২%। এবার এক দফাতেই সেই রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
পুদুচেরি: গতবার ভোট পড়েছিল ৮৩.৪২%। এবার ৫টাতেই সেই হার ৮৬% ছাড়িয়ে গিয়েছে।
কেরল: গতবার কেরলে ৭৬% ভোট পড়েছিল। এবারও চূড়ান্ত হার সেই লক্ষে পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অঙ্ক কী বলছে? অসমের ১২৬টি আসন, কেরলের ১৪০টি এবং পুদুচেরির ৩০টি আসনেই আজ লড়াই শেষ। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিপুল ভোটদান অনেক সময় সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, আবার কখনও প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়াকেও রুখে দেয়। ২০২১ সালে কেরল ও অসমে ক্ষমতাসীন দলগুলোই ফিরে এসেছিল। ২০২৬-এ মানুষের এই উৎসাহ কি ফের বর্তমান সরকারকেই ক্ষমতায় রাখবে, না কি নতুন ভোরের ইঙ্গিত দিচ্ছে? উত্তর মিলবে ফলপ্রকাশের দিন।





