তীব্র দাবদাহে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি! শরীরকে লোহার মতো শক্ত রাখতে পাতে রাখুন এই ৫ ‘ম্যাজিক’ খাবার

দক্ষিণবঙ্গজুড়ে হু হু করে বাড়ছে পারদ। কাঠফাটা রোদ আর প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে ঘরে-বাইরে সুস্থ থাকাই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। চিকিৎসকদের মতে, এই তীব্র গরমে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়লে দেখা দিতে পারে ‘হিট স্ট্রোক’। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাসই হতে পারে আপনার পরম সুরক্ষা কবচ।

শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে প্রতিদিনের মেনুতে যোগ করতে পারেন এই ৫টি ‘সুপারফুড’:

  • ১. শসা: গরমের সেরা বন্ধু হলো শসা। এতে প্রায় ৯৫ শতাংশ জল থাকে, যা শরীরকে ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচায়। পাশাপাশি শসায় থাকা ফাইবার হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে হালকা রাখতে সাহায্য করে।

  • ২. টক দই: দই হলো প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক। এটি কেবল পেট ঠান্ডা রাখে না, বরং এর মধ্যে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দুপুরের খাবারের সাথে এক বাটি টক দই বা ঘোল এই গরমে অপরিহার্য।

  • ৩. ডাবের জল: গরমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ বেরিয়ে যায়। ডাবের জল সেই পটাশিয়াম ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি ইনস্ট্যান্ট এনার্জি দিতেও অতুলনীয়।

  • ৪. তরমুজ: তরমুজে থাকা লাইকোপেন ত্বকের সূর্যরশ্মিজনিত ক্ষতি যেমন কমায়, তেমনি এর জলীয় অংশ শরীরকে শীতল রাখে। গরমে মিষ্টি পানীয়ের বদলে তরমুজের রস অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর বিকল্প।

  • ৫. আমান্ন বা পান্তা ভাত: বাংলার এই প্রাচীন খাবারটি কিন্তু গরমের জন্য আদর্শ। গবেষণায় দেখা গেছে, পান্তা ভাত বা দই-ভাতে এমন কিছু গুণাগুণ রয়েছে যা দীর্ঘক্ষণ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং সান স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

বিশেষ সতর্কবার্তা: অতিরিক্ত রোদ থেকে ফিরে সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজের কনকনে ঠান্ডা জল খাবেন না। রোদ বের হওয়ার সময় ছাতা, টুপি এবং ওআরএস (ORS) সাথে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। সুস্থ থাকুন, সাবধান থাকুন।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy