ঠকে যাওয়ার ভয় নেই আর! মাত্র ৩০ সেকেন্ডে সোনার বিশুদ্ধতা মাপুন; দোকানে গিয়ে এই পরীক্ষাটি করার দাবি জানান!

আজ অক্ষয় তৃতীয়া। হিন্দু ধর্মে দিনটি অত্যন্ত শুভ, আর এই শুভ লগ্নে সোনা বা রুপো কেনা বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু বর্তমান বাজারে সোনার আকাশছোঁয়া দামের সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জাল বা কম বিশুদ্ধতার সোনা গছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাই আজ শোরুমে যাওয়ার আগে আপনার বিনিয়োগ সুরক্ষিত করতে এই বিষয়গুলি অবশ্যই যাচাই করে নিন।

১. তিনটি রহস্যময় চিহ্ন: হলের মার্কিং চিনে নিন

গয়না কেনার সময় প্রথমেই তিনটি জিনিস খুঁটিয়ে দেখুন:

  • BIS লোগো: গয়নার গায়ে ত্রিকোণাকার বিআইএস (BIS) লোগো আছে কি না দেখুন। এটি আসল সোনার প্রধান পরিচয়।

  • ক্যারেট ও বিশুদ্ধতা: গয়নায় ছোট হরফে 22K916 (২২ ক্যারেট/৯১.৬% খাঁটি) বা 18K750 (১৮ ক্যারেট/৭৫% খাঁটি) লেখা আছে কি না দেখে নিন।

  • HUID নম্বর: এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গয়নার গায়ে খোদাই করা ৬ সংখ্যার একটি ইউনিক আলফানিউমেরিক কোড থাকে, যা গয়নাটির নিজস্ব পরিচয়পত্র।

২. স্মার্টফোনে চেক করুন বিশুদ্ধতা

আপনার ফোনে থাকা ‘BIS Care’ অ্যাপটি ওপেন করুন। সেখানে ‘Verify HUID’ অপশনে গিয়ে গয়নার গায়ের ৬ সংখ্যার কোডটি দিলেই দোকানের নাম, হলমার্কিংয়ের তারিখ এবং সোনার বিশুদ্ধতা আপনার স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। তথ্যে অমিল থাকলেই সতর্ক হন।

৩. এক্সআরএফ (XRF) টেস্ট ও চুম্বক পরীক্ষা

  • XRF মেশিন: এখনকার বড় দোকানগুলোতে এই মেশিন থাকে। গয়নার কোনো ক্ষতি ছাড়াই মাত্র ৩০ সেকেন্ডে এটি সোনার নিখুঁত মান বলে দেয়। বিল তৈরির আগে এই পরীক্ষাটি করিয়ে নেওয়া আপনার অধিকার।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy