ইরান-মার্কিন সংঘাতের আবহে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড়সড় ধস নামল। যুদ্ধবিরতির আশায় বিশ্ববাসী যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণের দিকে তাকিয়ে ছিল, ঠিক তখনই উল্টো সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযান এখনই থামছে না; বরং চুক্তিতে রাজি না হলে ইরানে আরও বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে। এই ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
ট্রাম্প এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন বাহিনী ইরান ছাড়তে পারে, তবে তা নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর। এদিকে ইরান এই দাবি অস্বীকার করলেও ট্রাম্প তাঁর অনড় অবস্থানে অনড়। তিনি সাফ জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন আর মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল নয়। সৌদি আরব ও রাশিয়ার মিলিত উৎপাদনের চেয়েও বেশি জ্বালানি এখন আমেরিকায় উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে হরমুজ প্রণালী রক্ষা করার দায়িত্ব এখন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকেই নিতে হবে। এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনীতিকে কোন পথে নিয়ে যায়, সেটাই এখন দেখার।





