মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন খাদের কিনারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সমস্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। একদিকে যখন পাকিস্তানসহ একাধিক দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ‘বি-১’ সেতুতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে আলোচনার পথ রুদ্ধ করে দিল ওয়াশিংটন।
সেতু ধ্বংস ও ট্রাম্পের হুঙ্কার:
বৃহস্পতিবার স্যোশাল মিডিয়ায় একটি শিউরে ওঠা ভিডিও পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় কারাজ শহরের সংযোগকারী বিশাল ‘বি-১’ সেতুটি মার্কিন বিমান হামলায় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। হামলায় অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে ট্রাম্প চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেছেন, “বড্ড দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই তেহরান যেন সমঝোতায় ফেরে, নাহলে একসময়ের মহান এই রাষ্ট্রের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।”
ব্যর্থ কূটনৈতিক তৎপরতা:
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক ডার মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলেও তেহরান তা ‘অবাস্তব ও অযৌক্তিক’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনকি ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া ১৫ দফা প্রস্তাবও খারিজ করে দিয়েছেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। এই অচলাবস্থার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী যুদ্ধের আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।





