টোটোয় চেপে সোজা বুথে! মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে কী বড় বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী?

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবার নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সম্পূর্ণ সাধারণ মানুষের মতো টোটোয় চড়ে নন্দনায়েকবার বুথে পৌঁছান তিনি এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বুথ চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটদান পর্ব সেরে বাইরে আসতেই স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও উৎসাহী সমর্থকদের ভিড় জমে যায়। কাউকেই নিরাশ না করে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং হাসিমুখে সৌজন্য বিনিময় করেন মুখ্যমন্ত্রী।

নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে ভোটকেন্দ্রের ২০০ মিটারের ব্যাসার্ধের মধ্যে রাজনৈতিক কোনো মন্তব্য করতে বা মুখ খুলতে অস্বীকার করেন তিনি। তবে নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্কের কথা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নন্দনায়েকবার ও নন্দীগ্রামের প্রতি আমার অঙ্গীকার অতীতে যেমন ছিল, আজও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। প্রতিবারের মতো এবারও জগদ্ধাত্রী পুজোয় আমি নন্দীগ্রামে আসব।” তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান যে, “মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে সাধারণ মানুষ যেভাবে আমাকে দেখেছেন, আজও ঠিক সেভাবেই পাবেন। আমার পোশাক থেকে শুরু করে পায়ের জুতো—কিছুরই কোনো পরিবর্তন হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। দায়িত্ব এবং পদ বদলালেও আমার ব্যক্তিগত জীবনে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসবে না।”

ভোটের ফল বা ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলেও তিনি আশাবাদী যে নন্দীগ্রামে প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোট কাস্টিং হবে। উল্লেখ্য, তিনি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হলেও আমৃত্যু নন্দীগ্রামের ভোটারই থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে প্রায় ৪৪ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৩৯ শতাংশ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।