আইপিএল মানেই রোমাঞ্চ, আর সেই রোমাঞ্চের আঁতুড়ঘর চিপক স্টেডিয়ামে আজ দেখা গেল এক অবিশ্বাস্য লড়াই। তবে দিনটি চেন্নাই সুপার কিংসের (CSK) জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। ঘরের মাঠে চেনা দর্শকদের সামনেই গুজরাত টাইটান্সের (GT) কাছে কার্যত আত্মসমর্পণ করল তারা। সাই সুদর্শনের দুরন্ত অর্ধশতরানে ভর করে চেন্নাইকে তাঁদেরই ডেরায় পর্যুদস্ত করল শুভমন গিলের দল।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে ধুঁকল সিএসকে
প্রথমে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই। কিন্তু শুরু থেকেই টাইটান্স বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে স্বস্তিতে ছিল না ইয়েলো ব্রিগেড। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৫৭ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার আজ সম্পূর্ণ ব্যর্থ। কোনো বড় পার্টনারশিপ গড়ে না ওঠায় লড়াই করার মতো পুঁজি পাচ্ছিল না সিএসকে। শেষ দিকে ঋতুরাজ ও রবীন্দ্র জাডেজার কিছু লড়াই দলকে সম্মানজনক স্থানে পৌঁছে দেয়।
সাই সুদর্শনের ব্যাটে রাজকীয় জয়
রান তাড়া করতে নেমে গুজরাত শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল। বিশেষ করে সাই সুদর্শন এদিন যে ছন্দে ছিলেন, তাতে চেন্নাইয়ের বোলাররা কার্যত অসহায় হয়ে পড়েন।
সাই সুদর্শনের তাণ্ডব: নিখুঁত টাইমিং আর চিপকের মন্থর উইকেটে তাঁর ধৈর্যশীল ব্যাটিং টাইটান্সকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। হাঁকান এক অনবদ্য অর্ধশতরান।
দাপুটে জয়: লক্ষ্য খুব একটা বড় না হওয়ায় ২০ বল বাকি থাকতেই জয়ের প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় গুজরাত।
বোলারদের দাপট: রশিদ খান এবং মোহিত শর্মাদের আঁটসাঁট বোলিংই আদতে ম্যাচের ভাগ্য লিখে দিয়েছিল।
“চিপকে চেন্নাইকে হারানো সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু আজ আমাদের পরিকল্পনা ছিল স্পষ্ট। সাই অসাধারণ খেলেছে এবং বোলাররা কাজটা সহজ করে দিয়েছে।” — ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত গুজরাত শিবির।
চেন্নাইয়ের চিন্তা বাড়ছে
নিজেদের ঘরের মাঠে এমন হার নিশ্চিতভাবেই কপালে ভাঁজ ফেলবে সিএসকে ম্যানেজমেন্টের। ব্যাটিং অর্ডার এবং ডেথ ওভারের বোলিং নিয়ে এখন নতুন করে ভাবতে হবে তাঁদের। অন্যদিকে, এই জয়ে লিগ টেবিলে অনেকটা সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে গেল গুজরাত টাইটান্স।





