দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় বড়সড় সাফল্য। এক ‘গেরুয়া’ শাসিত রাজ্যে জাল ভারতীয় নথি ব্যবহার করে বসবাস করার অভিযোগে পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল আধার কার্ড ও প্যান কার্ড। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই গ্রেফতারিকে ঘিরে নতুন করে অনুপ্রবেশ বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে।
১. কীভাবে পুলিশের জালে?
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায় একটি নির্দিষ্ট এলাকায়। ধৃত ব্যক্তিকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তার কথাবার্তায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন তদন্তকারীরা। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছে যে আধার কার্ড ও ভোটার আইডি পাওয়া যায়, তা প্রাথমিকভাবে আসল মনে হলেও ফরেনসিক তদন্তে সেগুলো জাল বলে প্রমাণিত হয়।
২. জাল নথির জাল কত গভীরে?
পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, ধৃত ব্যক্তি বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতের ওই রাজ্যে গা-ঢাকা দিয়ে ছিল। একটি স্থানীয় দালালের চক্র তাকে এই জাল নথি বানিয়ে দিতে সাহায্য করেছিল। ভারতীয় নাগরিক সেজে সে দিব্যি সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ এখন সেই দালাল চক্রের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে।
৩. রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়
গেরুয়া রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির ময়দান গরম। বিজেপির দাবি, সীমান্ত সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা আপসহীন। অন্যদিকে, বিরোধীদের প্রশ্ন— করা নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে জাল নথি তৈরি করে একজন বিদেশি নাগরিক বছরের পর বছর ভারতে থেকে গেল?
৪. আগামী পদক্ষেপ
ধৃত অনুপ্রবেশকারীকে আপাতত পুলিশের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে যে, সে কোনো নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত কি না। পাশাপাশি, সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতেও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য পুলিশ প্রশাসন।





