জেলার গোলা তহসিল চত্বর এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গত তিন বছর ধরে এই এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কারের অভাবে সম্পূর্ণ জরাজীর্ণ। বিশাল বিশাল গর্তের কারণে সাধারণ মানুষের হাঁটাচলা তো দূরের কথা, দুই চাকা বা চার চাকার গাড়ি চালানোও কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
প্রতিদিন রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ, জমির রেকর্ড বা শংসাপত্র নিতে শত শত মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে এখানে আসেন। কিন্তু তহসিল চত্বরে পা রাখলেই তাদের স্বাগত জানায় খানাখন্দে ভরা কর্দমাক্ত রাস্তা। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে; গর্তে পড়ে আহত হওয়া এখানে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। আইনজীবীরা জানান, বিধায়ক থেকে শুরু করে সাংসদ এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বারবার স্মারকলিপি দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সাধারণ সম্পাদক সন্দীপ কুমার অবস্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তিন বছর ধরে এই নরকযন্ত্রণা চললেও প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।”
শুধু রাস্তাই নয়, তহসিল চত্বরে নারীদের জন্য ন্যূনতম শৌচাগারের ব্যবস্থা পর্যন্ত নেই। স্থানীয় বাসিন্দা রাকেশ ত্রিপাঠি অভিযোগ করেন, এসডিএম এবং তহসিলদারের নাকের ডগায় এমন অরাজকতা চললেও তারা উদাসীন। মৌলিক সুবিধার অভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চূড়ান্ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।





