খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় জনসমুদ্রের প্রস্তুতি, এদিকে লেবাননে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে নতুন আতঙ্ক!

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে নেমেছে মানুষের ঢল। আজ বিশাল এক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া মিছিলের মাধ্যমে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হবে। প্রশাসন দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। তবে খামেনেইর বিদায়ে যখন ইরান শোকাতুর, তখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রান্তে সংঘাতের আগুন কেবলই তীব্র হচ্ছে।
একদিকে চুক্তির পরও লেবাননের নাবাতিয়া এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলা পরিস্থিতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলেছে। অন্যদিকে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত দুইজন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আল-শিফা হাসপাতালের বাইরে রোগীদের নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তরের দাবিতে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ ক্রমে তীব্র হচ্ছে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ, আহত ও গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার প্রতিশ্রুত সুযোগ প্রদানেও ব্যর্থ হয়েছে দেশটি।
এরই মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরে রামাল্লার চেকপয়েন্টে এক অমানবিক ঘটনায় ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পথে এক ফিলিস্তিনি শিশুর পথরোধ করে ইসরায়েলি বাহিনী, যার ফলে চিকিৎসার অভাবে চার মাস বয়সী ওই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। চলমান হামলা, মানবিক সংকট এবং শোকের আবহে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন কার্যত একটি বারুদ স্তূপে পরিণত হয়েছে। শান্তি আলোচনার সব পথ রুদ্ধ করে সংঘাতের এই নতুন ঢেউ সাধারণ মানুষের জীবনে বয়ে আনছে চরম অনিশ্চয়তা।