সব জল্পনা আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে সুস্থ হয়ে জনসমক্ষে ফিরলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। মরণব্যাধি ক্যানসারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই শেষে তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে এখন আর মারণ রোগের কোনো অস্তিত্ব নেই। ইজরায়েলি রাজনীতির ‘কিং মেকার’ খ্যাত এই নেতার প্রত্যাবর্তন এখন আন্তর্জাতিক মহলে টক অফ দ্য টাউন।
চিকিৎসায় অভাবনীয় সাড়া
দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে তাঁর ক্যানসার নিরাময় করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, তিনি চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে অত্যন্ত মনোবল প্রদর্শন করেছেন এবং এখন তিনি পূর্ণ শক্তিতে রাষ্ট্রীয় কাজে যোগ দিতে প্রস্তুত।
এক নজরে তাঁর কামব্যাক
শারীরিক অবস্থা: চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল ২৪ ঘণ্টা তাঁর পর্যবেক্ষণে ছিলেন। বায়ো-থেরাপি এবং আধুনিক চিকিৎসার সংমিশ্রণে তিনি দ্রুত সেরে উঠেছেন।
রাজনৈতিক প্রভাব: তাঁর অনুপস্থিতিতে ইজরায়েলের প্রশাসনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে পূরণ হতে চলেছে।
বিশ্ব প্রতিক্রিয়া: মার্কিন প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
“ক্যানসার জয় করা আমার জীবনের অন্যতম বড় যুদ্ধ ছিল। মানুষের আশীর্বাদ আর আধুনিক চিকিৎসার শক্তিতে আমি আজ ফের নিজের দায়িত্ব পালনে সক্ষম।” — বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ
সুস্থ হয়ে ফিরলেও নেতানিয়াহুর সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সামলানোই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর এই ‘দ্বিতীয় জীবন’ ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা এবং কূটনীতিতে নতুন মোড় আনবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ক্যানসারকে হারিয়ে নেতানিয়াহুর এই ফিরে আসা বিশ্বের হাজার হাজার ক্যানসার আক্রান্ত মানুষের কাছে এক নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।





