কালো টাকা ও তছরুপের বিরুদ্ধে মোদী সরকারের মেগা স্ট্রাইক! গত ৭ বছরে দেশে ফিরল ১৮ হাজার কোটি টাকা

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপির দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচির অন্যতম প্রধান এজেন্ডা ছিল দেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার, বেনামি সম্পত্তি বাজেটে আনা, অর্থপাচার রোধ করা এবং আর্থিক তছরুপ করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া দাগী অপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত কয়েক বছরে কেন্দ্র সরকার ও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরলস প্রচেষ্টায় এক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সাত বছরে ভারত সরকার বিদেশে পাচার হওয়া প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।
অর্থনৈতিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ: শুধুমাত্র আর্থিক তছরুপের টাকাই নয়, এর পাশাপাশি দেশের আইন এড়িয়ে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৭৪ জন অর্থনৈতিক অপরাধী ও পলাতক আসামিকে বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, দুর্নীতি দমন ও আর্থিক অপরাধের ক্ষেত্রে মোদী সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণেই এই বিশাল সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
২০১৯ সালে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে যে আশ্বাস দিয়েছিলেন, সরকারি তথ্য বলছে প্রশাসন অক্ষরে অক্ষরে সেই নির্দেশ পালন করে চলেছে। একই সঙ্গে, দেশের অভ্যন্তরীণ আর্থিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের ব্যাপক প্রসারের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবায় দুর্নীতি বা ফুটো বন্ধ করার ক্ষেত্রেও যুগান্তকারী পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিদেশে পালিয়ে যাওয়া ঋণখেলাপি ও অর্থনৈতিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভারতের এই কূটনৈতিক ও আইনি লড়াই আন্তর্জাতিক মহলেও যথেষ্ট নজর কেড়েছে।