ব্লকবাস্টার ছবি ‘কান্তারা’ (Kantara) নিয়ে চলা দীর্ঘ আইনি টানাপোড়েনে এবার ঢুকে পড়ল বলিউডের নাম। কান্তারা বিতর্কে এবার বড়সড় আইনি নোটিশের মুখে পড়লেন অভিনেতা রণবীর। সংশ্লিষ্ট মামলায় বম্বে হাইকোর্ট অভিনেতাকে কঠোর নির্দেশ দিয়ে চার সপ্তাহের একটি ‘ডেডলাইন’ বা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। আদালতের এই পদক্ষেপে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিনোদন জগতে।
কী কারণে এই আইনি খাঁড়া?
মূলত ‘কান্তারা’ ছবির স্বত্ব, প্রচার কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো বাণিজ্যিক চুক্তিতে রণবীরের ভূমিকা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালত অভিনেতার অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জবাব না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা আরও কঠোর হতে পারে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের নির্দেশের মূল পয়েন্ট:
সময়সীমা: আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রণবীরকে তাঁর হলফনামা বা জবাব পেশ করতে হবে।
আদালতের কড়া অবস্থান: বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক উত্তর না মিললে পরবর্তী শুনানিতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিতর্কের উৎস: দক্ষিণি ছবি ‘কান্তারা’-র সত্ত্ব এবং এর হিন্দি সংস্করণ বা রিমেক সংক্রান্ত জটিলতা থেকেই এই মামলার সূত্রপাত বলে জানা গেছে।
“আইন সবার জন্য সমান। চার সপ্তাহের এই সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ের মধ্যে অভিনেতাকে তাঁর সপক্ষে সমস্ত নথিপত্র জমা দিতে হবে।” — মামলার শুনানিতে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।
চাপে রণবীর শিবির
আদালতের এই ‘ডেডলাইন’ সামনে আসার পর থেকেই রণবীরের আইনি পরামর্শদাতারা তৎপর হয়ে উঠেছেন। নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি ‘কান্তারা’ বিতর্কের জেরে রণবীরের আসন্ন প্রজেক্টগুলোতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে?
এই হাই-প্রোফাইল মামলার পরবর্তী মোড় কোন দিকে ঘোরে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সারা দেশের সিনেমাপ্রেমীরা।





