দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকার রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজধানীর শিক্ষামহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত ওই অধ্যাপিকার নাম দেবস্মিতা পাল। ৪৯ বছর বয়সী দেবস্মিতা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপিকা ছিলেন। নিজের অ্যাপার্টমেন্ট থেকেই উদ্ধার হয়েছে তাঁর নিথর দেহ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবস্মিতা পাল পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভ এলাকার সত্যম অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন। দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে তিনি শিক্ষকতা করে আসছিলেন। হঠাৎ কী কারণে এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো, তা নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হলো, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দীর্ঘক্ষণ তাঁকে বাইরে না দেখে বা কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন। পরবর্তীতে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অ্যাপার্টমেন্টের দরজা ভেঙে তাঁর দেহ উদ্ধার করে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর আসল কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ কোনো সুইসাইড নোট পেয়েছে কি না বা এটি খুনের ঘটনা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা। এই অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড করা হবে এবং ঘটনাটির প্রতিটি দিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। কোনো প্রকার গাফিলতি বা অপরাধমূলক যোগ থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





