সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের এক্স (পূর্বতন টুইটার) অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়া নিয়ে এবার বড় পদক্ষেপ নিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। সরকারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের পথে হেঁটে সরাসরি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দলটি। অ্যাকাউন্ট ব্যান করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তারা।
ঠিক কী ঘটেছে? সম্প্রতি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টটি হঠাৎ করেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ, কোনো রকম আগাম নোটিশ বা যথাযথ কারণ ছাড়াই তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি বন্ধ করে দিয়েছে এক্স কর্তৃপক্ষ। দলের নেতৃত্বের দাবি, সরকারের চাপেই এই কাজ করা হয়েছে, যা তাদের বাকস্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
হাইকোর্টে আবেদন: নিজের অধিকার ও প্ল্যাটফর্ম পুনরুদ্ধারের দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন দলের প্রতিনিধিরা। তাদের আর্জি, যেহেতু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের অন্যতম মাধ্যম, তাই কোনো রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্ট এভাবে বন্ধ করে রাখা অসাংবিধানিক। আদালতের কাছে তারা এই অ্যাকাউন্ট অবিলম্বে পুনর্নমুনায়ন বা আনব্যান করার দাবি জানিয়েছে।
বিতর্কের সূত্রপাত: নামের মতোই অভিনব এই রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড এবং তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ধরন প্রায়শই নেটপাড়ায় আলোচনার জন্ম দেয়। এবার অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার ঘটনাটি রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত বিতর্কের এক নতুন মাত্রা যোগ করল। সরকার বা এক্স কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। দিল্লি হাইকোর্ট এই মামলায় কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।





