“এক রাতেই ইরান শেষ!” ট্রাম্পের ভয়ংকর আল্টিমেটাম, আজই কি শুরু হবে মহাপ্রলয়?

মধ্যপ্রাচ্যে বারুদের গন্ধ আরও তীব্র। ইরান বনাম আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ ৩৮ দিন পেরিয়ে গেলেও থামার লক্ষণ নেই। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ইরানকে কার্যত ‘শেষ বার্তা’ দিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানকে দেওয়া আমেরিকার আল্টিমেটামের মেয়াদ আজ, ৭ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। আর এই চরম মুহূর্তেই নতুন করে যুদ্ধের হুঙ্কার দিলেন হোয়াইট হাউসের অধিপতি।

“এক রাতেই ধ্বংস হতে পারে ইরান”

সোমবার এক রুদ্ধশ্বাস সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমেরিকা এখন সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। তাঁর ভাষায়, মার্কিন সামরিক শক্তি এতটাই যে তারা চাইলে “এক রাতেই পুরো দেশটিকে ধ্বংস করে দিতে পারে।” শুধু তাই নয়, ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, “সেই রাতটি সম্ভবত আগামীকাল রাতও হতে পারে।” ### ঐতিহাসিক উদ্ধার অভিযান: ফিরে এলেন নিখোঁজ পাইলট এই প্রেস কনফারেন্সেই ট্রাম্প ইরানে ভেঙে পড়া এফ-১৫ (F-15) যুদ্ধবিমানের পাইলটকে উদ্ধারের রোমহর্ষক অভিযানের বিবরণ দেন। শত্রুপক্ষের ভূখণ্ডের গভীরে ঢুকে এই অভিযানকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

  • অভিযানের শক্তি: ২১টি মার্কিন যুদ্ধবিমান এই মিশনে মোতায়েন করা হয়েছিল।

  • বিপজ্জনক মিশন: অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দুই সেনাকে নিরাপদে উদ্ধার করে আনা হয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, আমেরিকান সেনাদের রক্ষায় যা যা প্রয়োজন, সামরিক বাহিনীকে সেই নির্দেশই দেওয়া হয়েছে।

৩৭ দিনে ১০ হাজার যুদ্ধবিমান!

যুদ্ধের ভয়াবহতা বোঝাতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক নজিরবিহীন পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত ৩৭ দিনে ইরানের আকাশসীমায় ১০ হাজারেরও বেশি মার্কিন যুদ্ধবিমান ওড়ানো হয়েছে। সামরিক ইতিহাসে এটি একটি বিরল ঘটনা।

আজকের এই ডেডলাইন শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে যায় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। ট্রাম্পের এই চরম হুঁশিয়ারি কি কেবলই মানসিক চাপ তৈরি করা, নাকি বড়সড় হামলার পূর্বাভাস— তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy