একুশে জুলাইয়ের লড়াইয়ে নব্য তৃণমূলের বড় জয়! গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সভার অনুমতি

শহিদ দিবস পালন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই নবান্ন ও তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল। সূত্রের খবর, সমাবেশের স্থান নির্ধারণ ও প্রশাসনিক অনুমতির জন্য নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নব্য তৃণমূলের প্রতিনিধিদের দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের পরেই গান্ধী মূর্তির পাদদেশে কর্মসূচি পালনের রাস্তা প্রশস্ত হয়।

সাংগঠনিক রদবদল: দলীয় সূত্রে খবর, নব্য তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তনের পথে। বিপ্লব মিত্রকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি জাভেদ খানকে কার্যকরী সভাপতির পদে বসানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে সামনে রেখেই দলকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে ঋতব্রত শিবির।

কেন এই রদবদল ও ভেন্যু পরিবর্তন? প্রথমে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে জনসভার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল, কিন্তু পুলিশি নিষেধাজ্ঞার কারণে সেই অনুমতি মেলেনি। পরবর্তীতে সংঘাত এড়াতে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশকে বেছে নেওয়া হয়। আইনি লড়াই এবং নির্বাচন কমিশনে বক্তব্য পেশের মাঝে এই অনুমতি পাওয়া নব্য তৃণমূলের কাছে একটি বড় রাজনৈতিক স্বস্তি বলে মনে করা হচ্ছে।

এখন দেখার বিষয়, একুশে জুলাইয়ের দিন নব্য তৃণমূলের এই নতুন নেতৃত্ব কী বার্তা দেয় এবং তার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কী কৌশল নেয়।