উৎসবের আনন্দ সকলের জন্য! ধনিয়াখালির দশঘড়া স্কুল পাড়ার মহতী উদ্যোগ, কীভাবে সমাজের প্রান্তিকদের শামিল করা হলো পুজোয়?

শারদোৎসবের আনন্দ সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মানবিক ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ধনিয়াখালি। ধনিয়াখালির দশঘড়া স্কুল পাড়া পূজা কমিটির পক্ষ থেকে পঞ্চমীর রাতে আয়োজিত হলো এক বিশেষ সমাজকল্যাণমূলক বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি।
এই মহতী উদ্যোগের মূল কাণ্ডারি ছিলেন ধনিয়াখালি বিধানসভার বিধায়ক মাননীয়া অসীমা পাত্র এবং ধনিয়াখালি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সৌমেন ঘোষ। সমাজের প্রান্তিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের দুর্গোৎসবের আনন্দের অংশীদার করার লক্ষ্যেই এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
১০০০ মহিলার মুখে অমূল্য হাসি
অনুষ্ঠানের সূচনালগ্নে সকল সম্মানীয় অতিথিদের পুষ্পস্তবক, ফুলের মালা এবং স্মারক মেমেন্টো দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। ফিতা কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন বিধায়ক অসীমা পাত্র ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় এক হাজার গরীব ও অসহায় মহিলার হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। উৎসবের আনন্দের সাথে সাথে তাদের মুখে ফুটে ওঠে এক অমূল্য হাসি। প্রায় তিন হাজার দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে, যা স্থানীয় মানুষের সহানুভূতি ও সহানুভূতির প্রতিফলন।
‘দুর্গোৎসব সমাজকল্যাণ ও সহমর্মিতার প্রতীক’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ধনিয়াখালির বিধায়ক মাননীয়া অসীমা পাত্র বলেন, “দুর্গোৎসব কেবলমাত্র আনন্দের উৎসব নয়, এটি সমাজকল্যাণ ও সহমর্মিতার প্রতীক। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল সমাজের সেই অংশের মুখে হাসি ফোটানো, যাদের কাছে উৎসব মানেই প্রয়োজনের চেয়ে কম।”
পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সৌমেন ঘোষ বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে একতা ও ভালোবাসার বার্তা দেয়। আমরা চাই ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে উৎসবের আনন্দে শামিল করতে।”
দশঘড়া স্কুল পাড়া পূজা কমিটির এই মানবিক পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে সমাজকল্যাণমূলক কাজের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।