উত্তরপ্রদেশের যুবকদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত করতে রাজ্য সরকার এবার দক্ষতা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ‘আর্থিক শিক্ষা’ বা ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্কিলিং’-এর ওপর জোর দিচ্ছে। মিশনের ডিরেক্টর পুলকিত খরের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এই ধরনের একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য: আগামী সপ্তাহ থেকে রাজ্যের ১,০০০টিরও বেশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই কর্মসূচি শুরু হবে। মোট ১.৫ লক্ষাধিক যুবক যারা বর্তমানে UPSDM এবং দীন দয়াল উপাধ্যায় গ্রামীণ কৌশল যোজনা (DDU-GKY)-র অধীনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, তারা এই বিশেষ আর্থিক শিক্ষার সুবিধা পাবেন। এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হলো যুবকদের জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো নিতে দক্ষ করে তোলা, যেমন:
নিজস্ব বাড়ি কেনা বা ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা।
পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও সন্তানদের শিক্ষার জন্য সঞ্চয়।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অবসরকালীন পরিকল্পনার সঠিক জ্ঞান অর্জন।
প্রতারণা থেকে সুরক্ষা: বর্তমান সময়ে সাইবার অপরাধ এবং অনলাইন আর্থিক জালিয়াতি চরম আকার ধারণ করেছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের শেখানো হবে কীভাবে বিভিন্ন ভুয়া বিনিয়োগ স্কিম এবং অনলাইন প্রতারণা থেকে নিজেদের রক্ষা করা যায়। আর্থিক ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তারা আরও সচেতন হয়ে উঠবে।
প্রশাসনিক বক্তব্য: মিশন ডিরেক্টর পুলকিত খরে জানিয়েছেন, কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বর্তমান ডিজিটাল যুগে আর্থিক সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। যুবকরা যাতে কেবল দক্ষতা অর্জন করেই ক্ষান্ত না হয়, বরং অর্জিত অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং ভবিষ্যতে আর্থিক স্বাধীনতার রাস্তা খুঁজে পায়, সেই লক্ষ্যেই এনএসই-এর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব।
এই উদ্যোগের ফলে উত্তরপ্রদেশের যুব সমাজ আগামী দিনে কেবল দক্ষ কর্মী হিসেবেই নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল ও আর্থিকভাবে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশা করছে রাজ্য প্রশাসন।





